রাজকুমার হিরানির বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর বলিউডে নতুন মাত্রা পেল হ্যাশট্যাগ মিটু আন্দোলন। তবে ‘থ্রি ইডিয়টস’ পরিচালকের পাশে দাঁড়ালেন অভিনেত্রী অমর দীপ ঝাঁ। তার মতে, ‘রাজকুমার যৌন হেনস্তা করতেই পারেন না।’
এর আগে আলোক নাথ, নানা পাটেকর, অনু মালিক, রজত কাপুর, সাজিদ খান, বিকাশ বেহল, কৈলাশ খের, বিবেক অগ্নিহোত্রীসহ অন্যান্য অঙ্গনের কয়েকজনের নাম উঠেছিল মিটুর তালিকায়।
এবার নাম উঠল রাজকুমার হিরানিরও। তবে তার মতো ব্যক্তির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ কিছুতেই যেন বিশ্বাস করতে পারছেন না অনেকে।
অমর দীপ ঝাঁ বলিউড লাইফকে বলেন, “আমি হতবাক, বিশ্বাস করতে পারছি না। ওনার মতো মানুষ যাকে আমি অনেক কাছ থেকে চিনি। সিনেমার সেটে উনি একজন দেবদূতের মতো। উনি সিনেমার সেটে সকলের সঙ্গে সমান ব্যবহার করেন। সিনেমার শুটিং করতে গিয়ে ওর সঙ্গে সব সময়ই কথা হতো, তবে যেটা শুনছি বিশ্বাস হচ্ছে না। ওনার সম্পর্কে আমি এমনটা স্বপ্নেও ভাবতে পারি না।”
আরও বলেন, “ওই নারী যা বলেছেন তার ঠিক-বেঠিক বিচার করতে আমি যাচ্ছি না। তবে আমি ভীষণভাবে বিশ্বাস করি রাজকুমার হিরানি এমনটা করেননি।”
অমর দীপ বলেন, “আমি অভিযোগকারিণীকে চিনি না, আমি কী ঘটেছে জানিও না। তবে এটুকুই প্রার্থনা করি, যিনি নিরপরাধ, তিনি যেন সঠিক বিচার পান।”
অমর দীপ রাজকুমার হিরানির পিকে, থ্রি ইডিয়টসের মতো ব্লকবাস্টার ছবিতে অভিনয় করেছেন।
রাজকুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে এক নারী প্রযোজক বিধু বিনোদ চোপড়া ও তার স্ত্রী লেখিকা অনুপমা চোপড়াকে পাঠানো ই-মেইলে লিখেছেন, “স্যার, এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল শুধু ক্ষমতায়নের জন্য। উনি একজন ক্ষমতাবান ব্যক্তি, আর আমি নেহাতই সহকারী মাত্র। আমি পুরো বিষয়টি কখনো আপনার কাছে মুখে ব্যক্ত করতে পারতাম না।”
আরও লেখেন, “ওই রাতে আমার মন ও শরীর পুরোটাই দূষিত হয়ে উঠেছিল। যার জের চলেছিল টানা ৬ মাস ধরে।”
এ বিষয়ে নির্মাতার আইনজীবী আনন্দ দেশাই জানিয়েছেন, “পুরো অভিযোগটাই মিথ্যা, অপমানজনক, ফাঁসানোর জন্যই এমন অভিযোগ আনা হয়েছে।”
শোনা যাচ্ছে, এ অভিযোগের পর বিধু বিনোদ চোপড়ার সঙ্গে রাজকুমার হিরানির ত্রিশ বছরের বন্ধুত্ব আর অবশিষ্ট নেই।