জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাসকে আট সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছে হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ। জামিন নিতে গতকাল সোমবার দুজনেই আদালতে হাজির হন। দুজনের পক্ষে করা আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিনের এ আদেশ দেয়। আদালতে মির্জা আব্বাস দম্পতির পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। দুজনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত ৭ জানুয়ারি রাজধানীর শাহজাহানপুর থানায় এ মামলা করে দুদক।
দুদকের অনুসন্ধানের বরাতে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আফরোজা আব্বাসের নামে ২০ কোটি ৭৬ লাখ ৯২ হাজার ৩৬৩ টাকার অবৈধ সম্পদ পাওয়া গেছে। আয়কর নথিতে তিনি নিজেকে একজন হস্তশিল্প ব্যবসায়ী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু পাসপোর্টের তথ্যে বলা হয়েছে তিনি একজন গৃহিণী। নিজের আয়ের কোনো বৈধ উৎস তার নেই। সম্পদের যে তথ্য পাওয়া গেছে তা তার স্বামী মির্জা আব্বাসের সহায়তায় অবৈধ উৎস থেকে অর্জিত। অভিযোগ অনুযায়ী ১৯৯১ সালের আগে মির্জা আব্বাসের উল্লেখযোগ্য কোনো আয় ছিল না। ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী হওয়ার সুবাদে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে মির্জা আব্বাস টাকার মালিক হন।