তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন শুধু সাংবাদিকদের জন্য নয়, সারাদেশের মানুষের জন্য। এ আইন নিয়ে সাংবাদিকদের যেসব উদ্বিগ্নতার জায়গা রয়েছে সে বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখা হবে।’
রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
অনলাইন নীতিমালা বাস্তবায়নের কাজ চলছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে কাজ করছে। গণমাধ্যম যদি স্বাধীনতা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে সমান্তরালে কাজ করে, তাহলে এই মাধ্যমকে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ইউরোপ-আমেরিকার গণমাধ্যমের লেভেলে নিয়ে যেত পারবেন।’
তিনি সাংবাদিকদের আবাসন নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করেন।
আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যার অগ্রগতি এবং তাদের বিচারের জন্য সংশ্লিষ্ট যারা কাজ করছেন তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।’
ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নের কাজ অনেকদূর এগিয়েছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ২৩ তারিখ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আমাদের বৈঠক আছে। এরপর অন্যান্য স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করে যতদ্রুত সম্ভব ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নের কাজ করা হবে।’
হাছান মাহমুদ আরও বলেন, ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নতুনভাবে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করে দেবেন। এরপর সেটি মন্ত্রিসভা কমিটিতে আলোচনা হবে।
ওয়েজবোর্ডের বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী।
বিএনপির সমালোচনা করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘গত ১০ বছরে বিএনপি জনগণের জন্য রাজনীতি করেনি। তারা নিজেদের ইস্যু নিয়ে ব্যস্ত ছিল। তারা এই কয়েক বছরে খালেদা জিয়ার মুক্তি, দণ্ডিত আসামি তারেক রহমানকে দেশে ফেরানো, নিরপেক্ষ সরকার এসব ইস্যু নিয়ে রাজপথে সক্রিয় ছিল। এগুলো জনকল্যাণভিত্তিক বা জনগণের বিষয় নয়।’