মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া হল রোডের পিচ উঠে গেছে প্রায় দেড় যুগেরও বেশি। পুরো সড়ক এখন অসংখ্য খানাখন্দে সম্পূর্ণ চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এ সড়কটি একসময় গাড়িপ্রধান ছিল। এখন পায়ে হাঁটা ছাড়া গত্যন্তর নেই। পুরো সড়কটিই খানাখন্দে পূর্ণ। কোথাও কোথাও পায়ে হাঁটাও কষ্টকর। কোনো প্রকার যানচলাচল করতে পারে না। ১৮ বছর আগে এ সড়কটি বাইপাস হিসেবে ব্যবহার করা হতো। দেড় যুগের বেশি কোনো সংস্কারকাজ না হওয়ায় এ ব্যাপারে কোনো তথ্যও দিতে পারেনি সাটুরিয়া উপজেলা এলজিইডি। টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার পাকুটিয়া-সাটুরিয়া বাজারের প্রবেশের প্রধান সড়ক ছিল হল রোড। উপজেলার একমাত্র সিনেমা হল ছিল এই সড়কের পাশে। তাই এ সড়কটি সাটুরিয়া হল রোড হিসেবে পরিচিত জেলাজুড়েই। পাকুটিয়া-সাটুরিয়া সড়কের উত্তর কাউন্নারা হয়ে সাটুরিয়া হল হয়ে বাজারে প্রবেশ করত। কিন্তু ২০০০ সালের পর থেকে এ সড়কটি ব্যবহার না করে থানা সড়ক হয়ে সাটুরিয়া বাজারে প্রবেশ করা শুরু করে যানবাহন। এ সড়কে যানজট হলে বাইপাস হল রোড ব্যবহার করা হতো। সংস্কার না হওয়ায় পায়ে হাঁটা ছাড়া কোনো কাজে আসছে না।
এ সড়কের পাশেই সাটুরিয়া সৈয়দ কালুশাহ বিশ^বিদ্যালয় কলেজ, সাটুরিয়া পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সাটুরিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, উত্তর কাউন্নারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও জেলার অন্যতম বড় হাট ও সাটুরিয়া সৈয়দ কালুশাহ ফকিরের মাজার রয়েছে এ সড়ক ঘেঁষেই। এ ব্যাপারে সাটুরিয়া সৈয়দ কালুশাহ বিশ^বিদ্যালয় কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক গণেশ চন্দ্র ঘোষ বলেন, এ সড়কটি উপজেলার প্রধান সড়ক ছিল। ১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য হলে গুরুত্ব ছিল অনেক। সাটুরিয়া হাট, বালিয়াটী উপজেলা পরিষদ তথা উপজেলা পরিষদ ও জেলা শহরে প্রবেশ করতে হলে এই সড়কটি ব্যবহার করা হতো। এ বিষয়ে সাটুরিয়া উপজেলা প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আইয়ুব আলী বলেন, প্রায় দেড় যুগ আগে এ সড়কের সংস্কার কাজ হয়েছিল। তাই এর কোনো ফাইল আমাদের অফিসে নেই। তবে সড়কটির ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করব।