বর্তমান সরকার ১২৩ ভাগ বেতন বাড়িয়েছে : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার ১২৩ ভাগ বেতন বাড়িয়েছে। যা উন্নত দেশের বেতন কাঠামোর সমতুল্য। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যেন ঘুষ-দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থেকে জনগণের সেবায় কাজ করতে পারে সেই চিন্তা মাথায় রেখেই সরকার তাদের এই বেতন বৃদ্ধি করেছে। ফলে জনপ্রশাসনে এখন দুর্নীতির প্রশ্নই ওঠে না।’

রোববার মেহেরপুর থেকে ঢাকা যাওয়ার প্রাক্কালে দেশ রূপান্তরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

তিন দিনের সরকারি সফর ও কর্মসূচি পালন শেষে সরকারের জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মেহেরপুর-১ আসনের এমপি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সকাল সাড়ে ৭টায় মেহেরপুর সার্কিট হাউজে গার্ড অব অনার গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।

এ ক্ষেত্রে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বার্তা ইতোমধ্যে তৃণমূল প্রশাসনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন সরকার জনপ্রশাসনকে সত্যিকারের সৎ ও জনবান্ধব করতে চাই। তাই দুর্নীতি রোধকল্পে সরকার আরও কঠোর হবে বলে জানান তিনি।

স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর মুজিবনগরের সন্তান হয়ে দেশের মন্ত্রী হওয়ায় খুবই খুশি অনুভূতি ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘মুজিবনগরকে রেল যোগাযোগের আওতায় নেওয়া হবে। দেশের সবচেয়ে বড় ঐতিহাসিক পর্যটন স্থান হবে মুজিবনগর। সেই লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে ৫’শ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। আরও টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে। মুজিবনগরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে মেহেরপুরে মেডিকেল কলেজ স্থাপন, মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, বৃহৎ কৃষি গবেষণাগার ও মুজিবনগর স্থলবন্দর স্থাপন করার চিন্তা রয়েছে সরকারের।’

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি পরবর্তী কোনো নির্বাচনে আসবে কিনা সে সিদ্ধান্ত বিএনপির। তবে, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার মত সক্ষমতা বর্তমান বিএনপির আছে কিনা সেটা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। বিএনপিকে শেষ করতে কারো প্রয়োজন নেই।’

‘দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্ব ও সাংগঠনিক দুর্বলতায় ভারাক্রান্ত বিএনপি ইতোমধ্যে নিশ্চিহ্ন হয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে। তাই বিএনপি নিজেই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সাহস হারিয়েছে।’ মন্তব্য করেন তিনি।