খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলাজুড়ে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এরই মধ্যে আওয়ামী লীগের ১৭ জন মনোনয়নপ্রত্যাশী প্রচারে নেমেছেন। তবে কেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে আছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মার্চে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে ক্ষমতাসীন দলের একাধিক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান, সাবেক সরকারি কর্মকতা-শিল্পপতিসহ প্রবীণ ও তরুণ নেতাদের নাম উঠে এসেছে। দলীয় ওইসব নেতারা তৃণমূল থেকে শুরু করে দলের শীর্ষ পর্যায়ে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন।
মনোনয়নপ্রত্যাশী ইউপি চেয়ারম্যানদের মধ্যে আছেন- গুটুদিয়ার মোস্তফা সরোয়ার, রুদাঘরার মোস্তফা কামাল খোকন, সদরের গাজী হুমায়ুন কবির বুলু, আটলিয়ার প্রতাপ কুমার রায় ও শোভনার সুরঞ্জিত কুমার বৈদ্য।
এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব সরদার ইলিয়াস আলী, শিল্পপতি নির্মল চন্দ্র বৈরাগী, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ নুরুদ্দিন আল মাসুদ, সহ-সভাপতি শাহনেওয়াজ হোসেন জোয়ার্দার, জেলা পরিষদ সদস্য সরদার আবু সালেহ, এবিএম শফিকুল ইসলাম, সরদার আব্দুল গণি ও শেখ নাজিবুর রহমান নাজু। আর তরুণ নেতাদের মধ্যে রয়েছেন যুবলীগ নেতা কাজী আলমগীর হোসেন, ‘মানবিক ঢাকার’ সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সদস্য নুরুল ইসলাম বাদশা ও গাজী এজাজ আহমেদ। দলীয় টিকিট কে পাবেন তা নিয়েই উপজেলার সর্বত্র চলছে আলোচনা। আর প্রত্যাশীরাও বসে নেই। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার ১৪ ইউনিয়নের বাজার-ঘাট, চায়ের দোকানসহ সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে কুশাল বিনিময় করছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেন, ‘উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে মনোনয়নপ্রত্যাশী অনেকেই প্রচারে নেমেছেন। কিন্তু মনোনয়ন প্রক্রিয়া নিয়ে কেন্দ্র থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।’ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হারুনুর রশিদ বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয় হয়েছে। এখন অনুষ্ঠিত হবে উপজেলা নির্বাচন। দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মাঠে নামাটা স্বাভাবিক। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।’
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মোশাররফ হোসেন মফিজ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরা নির্বাচনে যাচ্ছি না। কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে আমরা একমত। যদি সিদ্ধান্ত বদলায় তখন আলোচনা করে প্রার্থী ঠিক করে নেব।’