নোয়াখালীর কবিরহাটের ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের নবগ্রামে ‘দলবেঁধে ধর্ষণের’ মামলায় ছাত্রলীগ নেতা জামাল উদ্দিনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। মঙ্গলবার বিচারিক হাকিম উজমা শুকরানা রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক জাকির হোসেন জানান, জামাল উদ্দিনকে গত শুক্রবার কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল আদালতে হাজির করে তাকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হয়। বিচারক তার ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড শুনানিতে নারীর পক্ষে ছিলেন অজিৎ কুমার মিত্র ও রবিউল হাসান পলাশ। আর আসামিপক্ষে ছিলেন আবদুল হক ও কাউসার মিয়াজী।
গত ১৯ জানুয়ারি তিন সন্তানের জননীকে ধর্ষণের অভিযোগে পরের দিন কবিরহাট থানায় মামলা হয়। ওই নারীর স্বামী ও বিএনপি নেতা আবুল হোসেন জানান, তার কারাগারে থাকার সুযোগে স্থানীয় ইউনিয়ন যুবলীগ সহ-সভাপতি জাকির হোসেন জাকেরের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ নেতা জামাল উদ্দিনসহ ছয়-সাতজন সিঁদ কেটে ঘরে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে সন্তানদের সামনেই তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করে। পরে তারা মালপত্র লুট করে পালিয়ে যায়।
আবুলের অভিযোগ, ধর্ষণে জড়িত আরও পাঁচজন এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। তিনি জানান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার স্ত্রী মানসিক অবসাদে ভুগছেন। রাতে ঘুমাতে পারছেন না। ঘুমানোর চেষ্টা করলেও হঠাৎ হঠাৎ চিৎকার করে ওঠেন।
এ ব্যাপারে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায় ডা. খলিল উল্লাহ জানান, এ রাতের ঘটনা মনে পড়লে সে মানসিক অবসাদে ভোগেন। এখন প্রয়োজন তার মানসিক কাউন্সেলিং। তার শরীর ভালো রয়েছে।