গুলিবিদ্ধ লাশের গলায় ফের ধর্ষণের স্বীকারোক্তি!

ঝালকাঠির রাজাপুরে রাকিব নামে গণধর্ষণ মামলার এক আসামির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশের গলায় ধর্ষণের স্বীকারোক্তি সম্বলিত লেমিনিটিং করা কাগজ ঝুলানো ছিল।

শুক্রবার দুপুর ১২টায় উপজেলার রাজাপুর সদর ইউনিয়নের আঙ্গারিয়া গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ইটভাটা সংলগ্ন বাগানের পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত রাকিব পার্শ্ববর্তী জেলা পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার নদমুলা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ভান্ডারিয়া থানার এক স্কুলছাত্রী গণধর্ষণ মামলার আসামি।

নিহতের কানের পাশে দুটি গুলির চিহ্ন রয়েছে। নিহতের গলায় লেমিনেটিং করা একটি কাগজ ঝুলানো ছিল। এতে লেখা ছিল-‘আমার নাম রাকিব। আমি... ধর্ষক। ইহাই আমার পরিণতি। ধর্ষকরা সাবধান। হারকিউলিস।’

পুলিশ জানায়, দুপুরে ওই এলাকায় লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে। নিহতের মাথার পেছনে, মাথার ডান পাশে ও চোখের নিচে চোয়ালের ওপর তিনটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

এঘটনায় (রাজাপুর কাঠালিয়া) সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মোজাম্মেল হোসেন রেজা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

রাজাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাহিদ হোসেন বলেন, নিহতের মাথায় ও চোয়ালে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, একইভাবে স্বীকারোক্তি লেখা অবস্থায় ২৬ জানুয়ারি এই গণধর্ষণ মামলার আরেক আসামি সজল জমাদ্দার নামে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে কাঠালিয়া থানা পুলিশ।

এর আগে গত ১২ জানুয়ারি সকাল ১১টার দিকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার নদমুলা গ্রামের বাড়ি থেকে পাশের হেতালবুনিয়া নানাবাড়ি বেড়াতে যাওয়ার পথে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে।