ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামী। বিচারে তার ফাঁসির দন্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। গাজীপুরে তৃতীয় শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে একজনের ৫০ হাজার টাকা জরিমানাসহ যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে সেখানকার আদালত। গতকাল মঙ্গলবার এই দুই রায় দেয় আদালত। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর
ব্রাহ্মণবাড়িয়া : জেলায় পরকীয়ার অভিযোগে স্ত্রী জেসমিন আক্তার আঁখিকে (২৩) হত্যার দায়ে জিসান চৌধুরী জিকু (২৮) নামে এক যুবককে ফাঁসির দণ্ড দিয়েছে আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ শফিউল আজম এ দণ্ডাদেশ দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত জিকু ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের নিউ মৌড়াইল মহল্লার মো. ছানাউল্লাহ্ চৌধুরীর ছেলে। তবে জিকু পলাতক রয়েছে। আদালত সূত্রে জানা গেছে, পরকীয়ার সন্দেহে গত ২০১৩ সালের ২৭ আগস্ট দুপুরে স্বামী জিসান চৌধুরী জিকু আঁখিকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে জিকু নিজেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা-পুলিশকে ফোন করে পরকীয়ার কারণে তার স্ত্রীকে হত্যার কথা জানায়। এ ঘটনায় ওই দিনই আঁখির বাবা বাদী হয়ে জিকুর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করলে সে আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়।
গাজীপুর : গাজীপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদন্ডের রায় দিয়েছে আদালত। গতকাল মঙ্গলবার সকালে গাজীপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমএলবি মেজবাহ উদ্দিন এ রায় দেন। দণ্ডিত বিল্লাল ভূঁইয়া (৬০), শ্রীপুর উপজেলার চিনাশুকানিয়া গ্রামের রহম উদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে।
গাজীপুর আদালত পরিদর্শক মো. রবিউল ইসলাম জানান, ২০১৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় একটি স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রী অভিযুক্ত বিল্লাল ভূঁইয়ার বাড়িতে খেলতে যায়। এ সময় বিল্লাল ভূঁইয়া মেয়েটিকে তার ঘরের মেঝে ঝাড়– দেওয়ার জন্য ডেকে নেয়। মেয়েটি ঘরের মেঝে ঝাড়ু দেওয়ার সময় বিল্লাল ভূঁইয়া তার ঘরের দরজা বন্ধ করে মুখ চেপে তাকে ধর্ষণ করে।