বন্যহাতির তা-বে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কেইপিজেডে কর্মরত শিল্পশ্রমিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাধারণ মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। নতুন করে দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে আনোয়ারা, কর্ণফুলীর কোরীয় ইপিজেডসহ দৌলতপুর, শাহমীরপুর ও বৈরাগ এলাকায় হাতি আতঙ্কে আছেন সাধারণ মানুষ। দেয়াঙ পাহাড়ে অবস্থান নেওয়া কয়েকটি বন্যহাতি সন্ধ্যা নামলেই নেমে আসছে লোকালয়ে। এতে সবচেয়ে বেশি আতঙ্কের মধ্যে আছে কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনের (কেইপিজেড) ১৩ কারখানার ২৩ হাজারের বেশি শ্রমিক। বন বিভাগ সূত্র জানায়, হাতি তাড়ানোর বিশেষ কোনো পন্থা তাদের জানা নেই। পাহাড় থেকে হাতি নামলে সেগুলো নানা কৌশলে পাহাড়ে তুলে দেওয়া যায়। দুই মাস ধরে হাতি দুটি দেয়াঙ পাহাড়ে রীতিমতো স্থায়ী আবাস বানিয়ে নিয়েছে। বন বিভাগ পটিয়া রেঞ্জের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা প্রতিদিন দেয়াঙ পাহাড়ে গিয়ে হাতিগুলো আরও গভীর জঙ্গলে পাঠানোর চেষ্টা করছি।’ হাতির আক্রমণে গত ১৯ জানুয়ারি শাহমীরপুরে আহত হন রুনা আক্তার (২৫) ও তার ছেলে সায়মন (৪)। গত বছরের ১৩ জুলাই হাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে মারা যান মোহাম্মদপুরের আবদুর রহমান (৭০)। এর আগে বড়উঠানের জালাল আহমদ (৭২) ও মরিয়ম আশ্রমের জুয়েল দাশ নামের এক ছাত্রের মৃত্যু হয় হাতির আক্রমণে।