গোপালগঞ্জে মনির হোসেন হত্যা মামলায় দ্বিতীয় স্ত্রী ঝুমুর বেগম (৩২) ও তার দুলাভাই শহিদুল ইসলাম সাগরকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা রোববার সকালে আদালতে ১৬৪ ধারায় হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে।
সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদ ও প্রযুক্তির সহায়তায় শনিবার রাতে খুলনা ও পিরোজপুর থেকে হত্যা মামলার আসামি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী ঝুমুর বেগম ও তার দুলাভাই শহিদুল ইসলাম সাগরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে রোববার সকালে গোপালগঞ্জ আদালতে তাদেরকে হাজির করলে তারা ১৬৪ ধারায় হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে।
তিনি আরও জানান, নিহত মনির বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকায় ঝুমুর প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর করত। এ ছাড়া ঝুমুরের প্রথম পক্ষের ১৩ বছর বয়সী মেয়ের শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে মনির। এ নিয়ে ঝুমুর তার দুলাভাই শহিদুলকে জানালে মনিরকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।
গত বছরের ১২ ডিসেম্বর মায়ের মৃত্যুর খবর শুনে স্ত্রীর দুলাভাই শহিদুলের ট্রলারে করে পিরোজপুর যাওয়ার পথে মনিরকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ ফেলে দেওয়া হয়। পরে তার লাশ ২১ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ছোটফা গ্রামের মধুমতি নদী থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। এঘটনার নিহতের পিতা মো. সানু খাঁ বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।