উড়োজাহাজ ময়ূরপঙ্খী ছিনতাইয়ের ঘটনায় নিহত বক্তি অস্ত্র নিয়ে কীভাবে বিমানে উঠল তা জানা নেই কর্তৃপক্ষের। রোববার রাতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এম নাঈম হাসান সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমনটা বলেন।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত এখনই বলা যাচ্ছে না। পরবর্তীতে তদন্ত করে এর কারণ জানা যাবে।
এর আগে বিমান বাংলাদেশের উড়োজাহাজটি ১৪২ যাত্রী ও পাঁচজন ক্রু নিয়ে ঢাকা থেকে দুবাইয়ে রওনা দেয় রোববার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে। এরপর ওই ব্যক্তি বিমানটি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। তবে পাইলট জরুরি অবতরণের পর যাত্রীদের নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়।
রাতে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ ও র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলাবাহিনী অভিযান চালায়। সেনাবাহিনীর কমান্ডোবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে ওই ব্যক্তি নিহত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান হয়। এতে আরো বলা হয়, ওই ব্যক্তির বয়স ২৫-২৬ হবে। সে তার স্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিল।
এসময় বিমানবন্দরের কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ভেদ করে কীভাবে ওই ব্যক্তি বিমানে উঠল তা নিয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা।
তবে এম নাঈম হাসান হাসান বলেন, এ বিষয়ে পরবর্তীতে তদন্ত করে জানান হবে। ওই ব্যক্তি কোথায় জাচ্ছিলেন তাও পরে জানানো হবে। তার পাসপোর্ট, লাগেজ এসব পরীক্ষা করা হবে বলেও জানান তিনি।