নিমতলীতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটির সুপারিশ দীর্ঘ ৮ বছরেও বাস্তবায়নে সরকারের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।
সম্প্রতি চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ ও পুরান ঢাকা থেকে সকল রাসায়নিক কারখানা সরানোর নির্দেশনা চেয়ে করা পৃথক চারটি রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ রুল জারি করেন।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের জুনে পুরান ঢাকার নিমতলীতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গঠিত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি ১৭ দফা সুপারিশ করে প্রতিবেদন জমা দেয়।
দীর্ঘ দিনেও বাস্তবায়নে সরকারের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।
চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় করা রিটের শুনানিতে মঙ্গলবার ওই ১৭ দফা বাস্তবায়ন না হওয়ায় আদালত উষ্মা প্রকাশ করে বলেছেন, ওই সুপারিশ বাস্তবায়ন করা গেলে চকবাজারের এই ঘটনা এড়ানো যেত।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না, ইউনুস আলী আকন্দ, রুহুল কুদ্দুস কাজল ও অমিত দাসগুপ্ত। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
পুরান ঢাকার চকবাজারের চুড়িহাট্টায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্বজন ও আহতদের ক্ষতিপূরণ, বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে রাসায়নিক কারখানা দ্রুত স্থানান্তর চেয়ে হাইকোর্টে একাধিক রিট আবেদন করা হয়। রবিবার আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় চারটি রিট আবেদন করেন আইনজীবীরা।
গত সপ্তাহের বুধবার রাতে চুড়িহাট্টায় স্মরণকালের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সরকারি হিসাবে ৬৭ জনের প্রাণহানি এবং আহত হন প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ।