আটক হয়নি প্রধান আসামি

বিয়ের মাত্র দেড় মাস না যেতেই স্বামীর বাড়িতে নির্মমভাবে নিহত কলেজছাত্রী সাজিয়া আফরিন রোদেলা (১৯) হত্যাকা-ের দুই বছর পূর্তি হলো আজ বুধবার। দীর্ঘ এই সময় তার হত্যাকারীদের বিচারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন রোদেলার বাবা-মাসহ স্বজনরা। এখনো গ্রেপ্তার হয়নি অভিযুক্ত স্বামী সোহানুর রহমান (২৮)। ফরিদপুরের সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের অনার্সের মেধাবী ছাত্রী সাজিয়া আফরিন রোদেলা শহরের আলিপুর খাঁ বাড়ি-মহল্লার শওকত হোসেন খান ওরফে শকার একমাত্র মেয়ে ছিলেন।

২০১৭ সালের ১৩ জানুয়ারি গোয়ালচামটের নতুনবাজার মহল্লার জনৈক মমিনুর রহমান সেন্টুর ছেলে সোহানুর রহমান সোহানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। সাজিয়া আফরিন রোদেলার মা রুমা খান বলেন, গত দুই বছর ধরে আমরা বিচারের আশায় আদালতের বারান্দায় ঘুরছি। এখনো রোদেলার স্বামী গ্রেপ্তার হয়নি। মামলা সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর ১০ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য রোদেলাকে চাপ দিতে থাকে তার শ্বশুরবাড়ির লোকরা। এজন্য তাকে নানাভাবে মানসিক যন্ত্রণা দিত। একপর্যায়ে স্বামী, শাশুড়ি ও ননদ মিলে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধে রোদেলাকে হত্যা করে। ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে বর্তমানে এ মামলাটি বিচারাধীন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার এসআই গাফফার জানান, রোদেলার মৃতদেহের ভিসেরা রিপোর্টে শ্বাসরোধে হত্যার আলামত পাওয়া গেছে। ব্যাপক তদন্ত শেষে স্বামী সোহানসহ আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।