কক্ষ সংস্কারের কারণ দেখিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলের ৫৪ ছাত্রীকে স্থানান্তর করা হয় অন্য তিনটি হলে। সাময়িক বলা হলেও এক মাসেও সংস্কার কাজ শুরু হয়নি। এ অবস্থায় আবাসন নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তারা।
ফয়জুন্নেসা হলের ১১৪ ও ১১৫নং কক্ষে ৪৭তম ব্যাচের ৫৪ জন ছাত্রী থাকতেন। গত ২৩ জানুয়ারি এক নোটিসে তাদের মধ্যে শেখ হাসিনা হলে ২৯, জাহানারা ইমাম হলে ২০ এবং বেগম সুফিয়া কামাল হলে ৫ শিক্ষার্থীকে স্থানান্তর করা হয়। কবে নাগাদ ছাত্রীদের নিজ হলে ফিরিয়ে আনা হবে এ নিয়ে হল প্রশাসন স্পষ্ট কিছু বলতে পারছে না। বর্তমান হলেও কোনো কক্ষ স্থায়ী বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। ফলে সদ্য ভর্তি হওয়া ৪৮তম ব্যাচের ছাত্রীদের সঙ্গেই গণরুমে থাকতে হচ্ছে তাদের। ভুক্তভোগী এক ছাত্রী বলেন, ‘হঠাৎ করে আমাদের রুম ছেড়ে অন্য হলে যেতে বলা হয়। তবে কবে কাজ শুরু হবে, কবে হলে ফিরতে পারব এবং অন্য হলে রুম পাব কি নাÑ এসব কিছুই জানা নেই। নতুন হলের প্রভোস্ট জানিয়েছেন স্থায়ী রুম দিতে পারবেন না।’ জানতে চাইলে শেখ হাসিনা হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক বশির আহমেদ বলেন, ‘আমার হলে ওদের পাঠানোই হয়েছে সাময়িক সময়ের শর্তে। প্রশাসন বরাদ্দ না দিলে আমরা সিট দেব কীভাবে?’
এ বিষয়ে ফয়জুন্নেসা হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক নাহিদ হক বলেন, ‘আমরা ১১৪ ও ১১৫ নম্বর রুম দুটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছি। বিশ্বববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অফিসকে বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও তারা সংস্কার কাজ শুরু করছে না।’