বিশ্ব ইজতেমার মালামাল অপসারণ নিয়ে মাওলানা সা’দ ও মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীদের মধ্যে বিরোধের ফলে ময়দান ঘিরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ অবস্থায় টঙ্গীর তুরাগতীরের ইজতেমা ময়দানে কোনো পক্ষের মুসল্লিদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ময়দান ও এর আশপাশে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি)। গতকাল বুধবার সকালে পুলিশের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারির পর মাওলানা সা’দ ও জুবায়েরের অনুসারীরা ময়দানের বাইরে অবস্থান করছেন। বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে ময়দান ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান নিয়েছে র্যাব-পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য।
জিএমপি কমিশনার ওয়াই এম বেলালুর রহমান বলেন, ইজতেমা শেষ হওয়ার পর থেকেই ময়দান পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ময়দানের মালামাল গোছানোর জন্য উভয় পক্ষের মুসল্লিরা কাজ করছেন। সম্প্রতি মালামাল অপসারণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। সম্ভাব্য সহিংসতা এড়াতে উভয় পক্ষকে ময়দানে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। দুই পক্ষের ঐকমত্য না হওয়া পর্যন্ত ইজতেমা ময়দান প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ঐকমত্যের পর তাদের কাছে ময়দান ও মালামাল বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর জানান, সরঞ্জামাদি অপসারণ নিয়ে দুই পক্ষের মুসল্লিদের মধ্যে ঝামেলা হওয়ায় তাদের ময়দানে প্রবেশে সাময়িকভাবে নিষেধ করা হয়েছে। টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মো. এমদাদুল হক জানান, ময়দানের চারপাশে পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও র্যাব সদস্য মোতায়েন রয়েছেন।