এসএসসি পরীক্ষায় নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার পবনাপুর ইউনিয়নের চরেরহাটের পবনাপুর এফ এম দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৪৪ জন পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ২০০ টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার এসএসসির শারীরিক শিক্ষা পরীক্ষায় বেশি নম্বর দেওয়ার কথা বলে এই টাকা নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন কয়েকজন পরীক্ষার্থী। বিষয়টি স্বীকারও করেছেন বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল খালেক।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের এসএসসি পরীক্ষায় পবনাপুর এফ এম দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৪৪ জন পরীক্ষার্থী একই ইউনিয়নের ফকিরহাট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে।  এসএসসির শারীরিক শিক্ষা পরীক্ষা নিজস্ব বিদ্যালয়েই দিয়েছে পরীক্ষার্থীরা। এদিন তাদের কাছে থেকে পরীক্ষায় বেশি নম্বর দেওয়া এবং পরীক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা খাওয়ার অনুষ্ঠানের জন্য টাকা নেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, বুধবার আমাদের বলে দেওয়া হয়েছে ২০০ টাকা করে বিদ্যালয়ে জমা দিতে হবে। বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়ে পৌঁছার পর শিক্ষকেরা পরীক্ষায় বেশি নম্বর দেওয়ার কথা বলে এই টাকা জমা নিয়েছেন।

২০০ টাকা করে নেওয়া হয়নি দাবি করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক বিকেলে বলেন, খাতা কেনা ও প্রশ্ন বানানো বাবদ পরীক্ষার ফি হিসেবে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বিষয়ের জন্য ৯০ টাকা করে নেওয়ার বিধান আছে। ফরম পূরণের সময় কম টাকা নেওয়া হয়েছে। এই টাকা নেওয়া হয় কারণ আমাদের হাতে নম্বর আছে। এ ছাড়া পরীক্ষা শেষে শিক্ষক ও পরীক্ষার্থীদের এক সঙ্গে একটা খাওয়া-দাওয়া হয়।

এ বিষয়ে পলাশবাড়ী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মাহতাব হোসেন বলেন, এভাবে কোন বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ টাকা নিতে পারে না। এটা নেওয়ার নিয়ম নেই। অন্যায়কে আমি সাপোর্ট দেব না। বিষয়টি দেখবো।