আগের দিনের অপরাজিত ৯৩ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিলেন কেন উইলিয়ামসন। এরপর দিনের শুরুতেই তুলে নিলেন সেঞ্চুরি। কিন্তু নিজের ২০তম সেঞ্চুরিটিকে ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দিয়ে ছেড়েছেন নিউ জিল্যান্ড অধিনায়ক। ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘোষণা করেছেন ইনিংস।
হ্যামিল্টন টেস্টর তৃতীয় দিনে ৬ উইকেটে ৭১৫ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে কিউইরা। উইলিয়ামসন ২০০ ও কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম ৭৬ রান অপরাজিত ছিলেন। প্রথম ইনিংসে ৪৮১ রানের লিড নিয়েছে কিউইরা। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে সবকটি উইকেট হারিয়ে করেছিল ২৩৪ রান।
টেস্টে দ্বিতীয়বারের মতো ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকালেন উইলিয়ামসন। এছাড়া নিউ জিল্যান্ড ইনিংসে সেঞ্চুরি করেন জিত রাভাল ও টম ল্যাথাম। তাতে টেস্টে নিজেদের সর্বোচ্চ ইনিংসের ইতিহাস গড়েছে কিউইরা। এবারই প্রথম টেস্টে কোনো ইনিংস সাতশ বা তার বেশি রান করল দলটি। তাদের আগের সর্বোচ্চ স্কোর ছিল ৬৯০, পাকিস্তানের বিপক্ষে।
বাংলাদেশকে নিয়ে আসলে ছেলে খেলাই করেছে কিউইরা। দলগতর পাশাপাশি ব্যক্তিগত সব রেকর্ডে ভাস্বর হয়েছে দলটির ব্যাটসম্যানরা। উইলিয়ামসন টেস্ট ক্যারিয়ারে ছয় হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন। আগের দিন নাইটওয়াচ ম্যান হিসেবে ব্যাটিংয়ে নেমে ক্যারিয়ার সেরা ৪৭ রানের ইনিংস খেলেছেন নিল ওয়াগনার। টেস্টে ৫০০ রানের ছোট মাইলফলক পেরিয়েছেন এই বোলার।
এবাদত হোসেন ওয়াগনারকে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম শিকার বানিয়েছেন। এরপর বিজে ওয়াটলিং মেহেদী হাসান মিরাজের শিকার হওয়ার আগে খেলেন ৩১ রানের ইনিংস। গ্র্যান্ডহোম নেমে ঝড় তুলেছিলেন। ৫৩ বলে ৭৬ রান করেছেন তিনি ৫ ছক্কা ও ৪ চারে। উইলিয়ামসন তার ইনিংস সাজান ১৯টি চারে।
বাংলাদেশের পক্ষে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন সৌম্য সরকার ও মেহেদী হাসান মিরাজ। একটি করে উইকেট নিয়েছেন এবাদত ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের।
এক লজ্জার খাতায় নাম ওঠেছে মেহেদী হাসান মিরাজের। ৪৯ ওভার বল করে একাই ২৪৬ রান দিয়েছেন এই অফ স্পিনার; যা প্রথম ইনিংসে করা বাংলাদেশের রানের চেয়েও বেশি। নিউ জিল্যান্ডের মাটিতে বিশ্বের যেকোনো বোলারের সবচেয়ে এটাই সবচেয়ে খরুচে বোলিং।