স্ত্রী নির্যাতনের মামলা নিয়ে যা বললেন হিরো আলম (ভিডিও)

স্ত্রীকে নির্যাতনের মামলায় বগুড়ায় গ্রেপ্তার হয়েছেন হিরো আলম। তার বিরুদ্ধে যৌতুক ও স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে মামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জনপ্রিয় এ ইউটিউবার।

থানা হেফাজতে থাকা হিরো আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘হামি যৌতুকের দাবি করছি তার তো স্বাক্ষী-পোরমান থাকা লাগবি। এতদিন যৌতুক দাবি করলামি না, ১০ বছর পর যৌতুক দাবি করলাম হামি?’

শারীরিক নির্যাতনের কথা স্বীকার করে একাদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে আলোচনায় আসা হিরো আলম বলেন, ‘হামার স্ত্রীর সাতে পারিবারিক সমস্যা এইজন্নি দুই-চারডে চড়-থাপ্পর মারছি হামি। সে অন্য ছেলের সাতে কথাবাত্তা কয় এডে পারিবারিকভাবে বন্দ করার চেষ্টা করছি’।

‘যকন বন্ধ করতে পারিনি, হামার কতা শোনে না, বাবা-মায়ের কতা শোনে না সকন হামি থাপ্পড় মারি। সবাই মিলে সন্দর টাইমে বসার কতা কয়া তার বাপ-চাচা সবাই মিলে হামাক মারধর করলো। সেটি থ্যাকে বার হয়া যাওয়ার পর সবাই মিলে ওক হাসপাতালোত ভর্তি করালো। এরপর থানাত মিটমাটের কতা কয়া হাকাক লিয়ে আসে আটকাচে।’

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বগুড়া সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রহিম জানান, তার স্ত্রী সাদিয়া বেগম সুমির বাবা সাইফুল ইসলাম খোকন মামলায় উল্লেখ করেছেন, দুই লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে হিরো আলম তার স্ত্রী সাদিয়া বেগম সুমিকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত। সোমবার রাতে এবং মঙ্গলবার দু’দফা সে তার স্ত্রীকে মারধর করে। বর্তমানে তার স্ত্রী বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় দায়ের মামলায় রাতে হিরো আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হিরো আলমের স্ত্রী সাদিয়া বেগম সুমি জানান, দুই মাস পর গত সোমবার রাতে হিরো আলম বগুড়া শহরতলির এরুলিয়া গ্রামে তার বাড়িতে আসেন। বাসায় ফেরার পর থেকে বিছানায় শুয়ে একটানা তিন ঘণ্টা মোবাইল ফোনে ঢাকার এক নারীর সঙ্গে কথা বলেন হিরো আলম। এর প্রতিবাদ করলে সোমবার রাতেই তাকে বেদম মারপিট করা হয়।