ভারতে কারও নামের শেষে কাপুর যুক্ত থাকলে তাকে আর আলাদা করে পরিচয় করিয়ে দিতে হয় না। ধরেই নেওয়া হয়, ওই ব্যক্তিটি কাপুর পরিবারের সদস্য। দীর্ঘদিন ধরে বলিউড ইন্ডাস্ট্রিকে শাসন করে যাচ্ছেন কাপুর পরিবারের সদস্যরা। যুগে যুগে কাপুর পরিবারের কেউ না কেউ এই জগতের হাল ধরেছেন এবং নিয়ে গেছেন অন্য উচ্চতায়। লিখেছেন লায়লা আরজুমান্দ
যার হাত ধরে শুরু
পাঞ্জাব প্রদেশের এক হিন্দু পরিবার থেকে কাপুর পরিবারের শুরু। পরিবারের প্রধান দেওয়ান বশেশ্বরনাথ সিং কাপুর ছিলেন পুলিশ অফিসার। তার দুই সন্তান পৃথ্বীরাজ কাপুর ও ত্রিলোক কাপুর। বলিউডে কাপুর পরিবারের দাপট শুরু হয় পৃথ্বীরাজ কাপুরের হাত ধরে। ফুফুর কাছ থেকে টাকা ধার করে তিনি এসেছিলেন বোম্বে শহরে। তিনি একাধারে অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক এবং চলচ্চিত্রের লেখক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি তার অভিনয় জীবন শুরু করেছিলেন হিন্দি চলচ্চিত্রের নির্বাক যুগে। প্রথম সিনেমা ‘দো ধারি তলওয়ার’-এ তিনি এক্সট্রা অভিনেতা হিসেবে অভিনয় করেছিলেন। মোট নয়টি নির্বাক চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পর তিনি সবাক চলচ্চিত্রে নাম লেখান।
তার প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘আলম-আরা’। এরপর একের পর এক উপহার দিয়ে গেছেন মুঘল-ই-আজম, বিদ্যাপাতি, সিকান্দার-ই-আজম, দ্রৌপদি, আওয়ারার মতো জনপ্রিয় সব সিনেমা। এছাড়াও তিনি ভারতীয় গণনাট্য সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ১৯৪৪ সালে মুম্বাই অঞ্চলের চলমান থিয়েটার কোম্পানি পৃথ্বী থিয়েটার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
ভারতীয় থিয়েটার এবং হিন্দি সিনেমা শিল্পের অগ্রদূত বলা হয় পৃথ্বীরাজ কাপুরকে। তার ভাই ত্রিলোক কাপুরও অভিনয় করতেন। ভারতীয় চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য পৃথ্বীরাজ কাপুরকে ভারত সরকার ১৯৬৯ সালে পদ্মভূষণ এবং ১৯৭১ সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার প্রদান করে। ১৯০৬ সালে জন্মগ্রহণ করা এই তারকা মৃত্যুবরণ করেন ১৯৭২ সালে।
পৃথ্বীরাজ কাপুর বিয়ে করেন রামসারনি মেহরাকে। এই দম্পতির তিন সন্তান। রাজ কাপুর, শমসের রাজ (শাম্মী কাপুর) ও বলবীর রাজ (শশী কাপুর)। এই তিন সন্তানের সবাই বলিউডের একেকজন কিংবদন্তি।
বলিউডের তিন কিংবদন্তি
পৃথ্বীরাজ কাপুরের বড় ছেলে রাজ কাপুর। একাধারে তিনি ছিলেন চলচ্চিত্র অভিনেতা, নির্মাতা ও পরিচালক। রাজ কাপুরকে বলা হয় ভারতীয় চলচ্চিত্রের সেরা পথপ্রদর্শক। অভিনয়ের ক্ষেত্রে তিনি নিজস্ব একটা স্টাইল তৈরি করেছিলেন। ১৯৩৫ সালে মাত্র ১০ বছর বয়সে তিনি অভিনয় করেন ইনকিলাব সিনেমায়। তবে তার জীবনের মোড় ঘুরে যায় ১৯৪৭ সালে নীলকমল সিনেমার মাধ্যমে। ঐ সময়ের শীর্ষস্থানীয় অভিনেত্রী মধুবালা ছিলেন তার সহশিল্পী। পরের বছর রাজ কাপুর প্রতিষ্ঠা করেন আর কে ফিল্মস স্টুডিও। এই আর. কে. ব্যানারের অধীনে বেশ কিছু ব্যবসায়িক সফল চলচ্চিত্র নির্মিত হয়। তার সর্ব প্রথম রঙিন ছবি ছিল ‘সঙ্গম’। ১৯৭০ সালে মুক্তি পায় ‘মেরা নাম জোকার’। এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে লেগেছিল প্রায় ৬ বছর। চলচ্চিত্রটি সার্কাসের একজন জোকারকে নিয়ে যাকে তার সব দুঃখ ফেলে দিয়ে মানুষকে হাসাতে হয়। চলচ্চিত্রটি হিন্দি চলচ্চিত্র শিল্পের অন্যতম দীর্ঘ কাহিনীসম্পন্ন চলচ্চিত্র। এই সিনেমাতেই অভিষেক ঘটে রাজ কাপুরের ছেলে ঋষি কাপুরের।
চলচ্চিত্র জীবনে রাজ কাপুর তিনবার ভারতীয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও এগারোবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পেয়েছেন। ‘আওয়ারা’ ছবিতে অভিনয় দক্ষতার কারণে টাইম সাময়িকী সর্বকালের সেরা দশ অভিনয় শিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্ত করে তাকে।
১৯৪০ সালে কৃষ্ণ কাপুরের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। এই দম্পতির রয়েছে পাঁচ সন্তানÑ রণধীর কাপুর, ঋতু নন্দ, রিমা কাপুর জৈন, ঋষি কাপুর ও রাজিব কাপুর। ১৯২৪ সালে জন্মগ্রহণ করা এই অভিনেতা মারা যান ১৯৮৮ সালে।
পৃথ্বীরাজ কাপুরের দ্বিতীয় সন্তান শাম্মী কাপুর। যার আসল নাম শমশের রাজ। তিনিও ছিলেন একজন নামকরা অভিনেতা। তার বাচনভঙ্গি, ব্যক্তিত্ব আর চলন-বলন দেখতেই দর্শকরা সিনেমা হলে ভিড় জমাতেন। তার নিজস্ব একটি ওয়েবসাইট ছিল। বলা হয়ে থাকে শাম্মী কাপুরই ভারতের প্রথম কোনো অভিনেতা যিনি তার নিজের ওয়েবসাইট তৈরি করেছিলেন। শাম্মী কাপুর জন্মগ্রহণ করেন ১৯৩১ সালে। তার অভিনীত প্রথম সিনেমা ছিল ‘জীবন জ্যোতি’। ১৯৫০ ও ১৯৬০-এর দশকে তিনি ছিলেন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। তার বাজার মাত করা সিনেমাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো- ‘জংলি’, ‘অ্যান ইভিনিং ইন প্যারিস’, ‘প্রেমকাহানি’, ‘কলেজ গার্ল’, ‘চায়না টাউন’, ‘পেয়ার কিয়া তো ডরনা কিয়া’ এবং ‘কাশ্মীর কি কলি’। কেন্দ্রীয় চরিত্রে শাম্মী কাপুরের শেষ সিনেমা ১৯৭১ সালের ‘আন্দাজ’। তবে এর পরও তিনি পার্শ¦ চরিত্রে অভিনয় করে গেছেন। তিনি বিয়ে করেন গীতা বালিকে। তার ছেলে আদিত্য রাজ কাপুর।
পৃথ্বীরাজ কাপুরের আরেক ছেলে শশী কাপুর। তার পুরো নাম বলবীর রাজ কাপুর। অভিনয় জীবন শুরু করেন মাত্র ৪ বছর বয়সে। তিনি ১৭৫টিরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। এ ছাড়া অনেক জনপ্রিয় ছবির প্রযোজক তিনি। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে আছে ‘সিলসিলা’, ‘জুনুন’, ‘কালযুগ’, ‘বিজেতা’, ‘উৎসব’। শশী কাপুর ২০১১ সালে পদ্মভূষণ ও ২০১৫ সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পান। জনপ্রিয় এই অভিনেতা ১৯৩৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুবরণ করেন ২০১৭ সালে। তার রয়েছে তিন সন্তান। কুনাল কাপুর, করণ কাপুর ও সঞ্জনা কাপুর।
তৃতীয় প্রজন্ম
পৃথ্বীরাজ কাপুর বলিউড মাতিয়েছেন, তার ছেলেরাও পেয়েছেন আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা। তার নাতিরাও বেশ অবদান রেখেছেন বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো
রাজ কাপুরের বড় ছেলে রণধীর কাপুর। সত্তরের দশকে তিনি বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো ‘জিত’, ‘লাফাঙ্গে’, ‘কাসমে ভাদে’, ‘আখরি ডাকু’ ইত্যাদি। তার জন্ম ১৯৪৭ সালে। বিয়ে করেন অভিনেত্রী ববিতা শিবদাসানীকে। এই দম্পতির দুই সন্তানও বলিউড দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। তারা হলেন কারিশমা কাপুর ও কারিনা কাপুর।
রাজ কাপুরের দ্বিতীয় ছেলে ঋষি কাপুর। তিনিও বলিউডের নামকরা অভিনেতা। অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালক ও প্রযোজক হিসেবেও নাম কুড়িয়েছেন তিনি। ১৯৭৩ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত তিনি ৯২টি রোমান্টিক চলচ্চিত্রে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন। পেয়েছেন বেশ কিছু পুরস্কার। বর্ষীয়ান অভিনেতা এখন ক্যানসারে ভুগছেন। চিকিৎসার জন্য রয়েছেন নিউ ইয়র্কে। তিনি বিয়ে করেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নিতু সিংকে। এই দম্পতির রয়েছে দুই সন্তান রণবীর কাপুর ও ঋদ্ধিমা কাপুর সোহানি।
রাজ কাপুরের আরেক সন্তান রাজীব কাপুরও ছিলেন অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক। রাজ কাপুরের বাকি দুই সন্তান ঋতু নন্দ, রিমা কাপুরের বলিউডের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
বর্তমানে বলিউড দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন যারা
কারিশমা কাপুর, কারিনা কাপুর, রণরীব কাপুর তিনজনই বলিউডে কাপুর পরিবারের চতুর্থ প্রজন্ম। তিনজনই তুমুল জনপ্রিয়।
কারিশমা কাপুর বলিউডে রাজত্ব করেছেন দীর্ঘদিন। তিনি এখনো তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী। কারিশমা কাপুরের ডাক নাম বোবো। তিনি রণধীর কাপুর ও ববিতার প্রথম সন্তান। মাত্র ১৭ বছর বয়সে তার চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে ‘প্রেম কয়েদি’ সিনেমার মাধ্যমে। পরবর্তীকালে তিনি বিভিন্ন বাণিজ্যিকভাবে সফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ‘রাজা হিন্দুস্তানি’, ‘আনাড়ি’, ‘আন্দাজ আপনা আপনা’, ‘বিবি নাম্বার ওয়ান’ তার অন্যতম জনপ্রিয় সিনেমা। শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে তিনি পেয়েছেন ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ডও। হিন্দি চলচ্চিত্রের একজন নেতৃস্থানীয় অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ২০০৩ সালে ধনাঢ্য ব্যবসায়ী সঞ্জয় কাপুরকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। তাদের বিচ্ছেদ হয় ২০১৬ সালে। জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর রয়েছে দুই সন্তান সামায়রা ও কিয়ান রাজ কাপুর।
বলিউডের আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান। রণধীর কাপুর ও ববিতার প্রথম সন্তান। দুই বার জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী এই অভিনেত্রী বিয়ে করেছেন অভিনেতা সাইফ আলী খানকে। এই দম্পতির রয়েছে এক সন্তান, নাম তৈমুর। ২০০০ সালে ‘রিফিউজি’ চলচ্চিত্র দিয়ে তার বড় পর্দায় অভিষেক হয়। ঐতিহাসিক নাট্যধর্মী ‘অশোক’ এবং মেলোড্রামাধর্মী ব্লকব্লাস্টার ‘কাভি খুশি কাভি গম’ চলচ্চিত্র দিয়ে তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রে শক্ত অবস্থান তৈরি করেন।
রণবীর কাপুর। ঋষি কাপুর ও নিতু সিং দম্পতির ছেলে। বলিউডের জনপ্রিয় এই অভিনেতা কারিশমা ও কারিনার চাচাতো ভাই। ২০০৭ সালে ‘সাওয়ারিয়া’ সিনেমা দিয়ে তার চলচ্চিত্রে জগতে প্রবেশ। এই ছবির জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ নবাগত পুরস্কার অর্জন করেন। ২০১১ সালে রকস্টার ছবির মাধ্যমে আকাশচুম্বী খ্যাতি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি ব্রহ্মাস্ত্র’ ছবির প্রচার নিয়ে ব্যস্ত।
বিক্রি হয়ে যাচ্ছে রাজ কাপুরের স্টুডিও
কিংবদন্তি অভিনেতা রাজ কাপুরের প্রতিষ্ঠিত আরকে স্টুডিও বিক্রি হয়ে যাচ্ছে, এমনটা তার পরিবার থেকে জানানো হয়েছে। বেশ কয়েক বছর আগে এই স্টুডিওতে আগুন লেগে বেশ কিছু অংশ বাজেভাবে পুড়ে যায়। নষ্ট হয়ে যায় মূল্যবান সামগ্রী। তারপর কাপুর পরিবারের সদস্যরা এই জনপ্রিয় স্টুডিওকে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেন। কারণ হিসেবে ঋষি কাপুর বলেন, ‘এই স্টুডিওকে নতুন করে গড়ে তোলার জন্য যে পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে পরবর্তীকালে এটি থেকে ততটা লাভ হবে না। এমনকি আরকে স্টুডিওতে আগুন লাগার আগেও এটি আমাদের কাছে একটা বড় সাদা হাতি পোষা ছাড়া আর কিছুই ছিল না।’
সব থেকে বেশি শিক্ষিত কে?
যে পরিবার বলিউড শাসন করে বেড়িয়েছে দীর্ঘ দিন সেই পরিবারে সব থেকে বেশি শিক্ষিত কে? বলিউডে যারা অভিনয় করেছেন তাদের মধ্যে সব থেকে বেশি শিক্ষিত রণবীর কাপুর। নিউইয়র্কের ‘স্কুল অব ভিজ্যুয়াল আর্টস’ থেকে সিনেমা তৈরির প্রশিক্ষণ নেন। একই সঙ্গে ‘লি স্টারসবার্গ থিয়েটার অ্যান্ড ফিল্ম ইনস্টিটিউট’ থেকে ছবির অ্যাক্টিং ক্যারিয়ারের ভিত তৈরি করেন সুপারস্টার রণবীর কাপুর। দশম শ্রেণিতে তার শতকরা নম্বর ছিল ৫৬। এত বেশি নম্বর নাকি পরিবারের আগে কেউ কখনো পায়নি। তাই সেই খুশিতে বাবা-মা বড় করে পার্টির আয়োজন করেন।
অন্যদিকে কারিশমা মাত্র পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন। কারিনা পড়াশোনা ছেড়েছেন কলেজে থাকতেই। রণবীরের বাবা পড়াশোনা করেছে মাত্র অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত। রণধীর কাপুর ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত। শশী কাপুর ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত। আর দাদু রাজ কাপুর ষষ্ঠ শ্রেণিতে গিয়ে থেমে গিয়েছিলেন।
অনিল কাপুর কি কাপুর পরিবারের?
কাপুর পরিবার এত বড় যে অনেকেই গুলিয়ে ফেলেন কার সঙ্গে কী সম্পর্ক। কে কার কী হয়? অনেকেই মনে করেন অনিল কাপুর বিখ্যাত এই কাপুর পরিবারেই সদস্য। তবে সত্যিটা হচ্ছে অনিল কাপুরের বাবা সুরিন্দর কাপুর ছিলেন পৃথ্বীরাজ কাপুরের কাজিন। সুরিন্দর কাপুরের তিন ছেলে বনি কাপুর, অনিল কাপুর এবং সঞ্জয় কাপুর। বনি কাপুরের ছেলে বলিউড তারকা অর্জুন কাপুর। অনিল কাপুরের মেয়ে বলিউডের আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোনাম কাপুর। এই পরিবার পৃথ্বীরাজ পরিবারের সদস্যভুক্ত নয়। তবে কাপুরদের সঙ্গে তাদের দূরসম্পর্কের আত্মীয়তা রয়েছে।
বলিউডে অনেক রথী-মহারথী এসেছেন। আবার হারিয়েও গেছেন কালের গর্ভে। কিন্তু বলিউডে কাপুর পরিবারের মতো এত বিস্তৃত অবদান রাখতে পারেনি আর কেউ। দীর্ঘদিন ধরে বলিউড ইন্ডাস্ট্রিকে শাসন করে যাচ্ছেন কাপুর পরিবারের সদস্যরা। যুগে যুগে কাপুর পরিবারের কেউ না কেউ এই জগতের হাল ধরেছেন এবং নিয়ে গেছেন অন্য উচ্চতায়।