নীলফামারীর ডিমলায় পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তি আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার সকালে অভিযুক্তকে আটকের পর দুপুরের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। আটক সিরাজুল ইসলাম (৫৫) উপজেলার পূর্ব ছাতনাই গ্রামের মৃত জবেদ আলীর ছেলে।
মেয়েটির বাবা-মা বলেন, ‘আমরা স্বামী-স্ত্রী দুজনেই দিনমজুর। প্রতিদিনের মতো রবিবার সকালে শিশু মেয়েকে বাড়িতে রেখে দু’জনেই কাজে যাই। আমাদের অনুপস্থিতিতে বিকেলে প্রতিবেশী সিরাজুল ইসলাম (৫৫) আমাদের শিশু মেয়েকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় মেয়ের চিৎকারে অন্যান্য প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে সিরাজুল পালিয়ে যায়। তারা মেয়েকে উদ্ধার করে আমাদের খবর দেয়।
পরে রাত ১১টার দিকে ধর্ষণের শিকার মেয়েটিকে নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় রাতেই সিরাজুলের বিরুদ্ধে ডিমলা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ডিমলা থানার ওসি মো. মফিজ উদ্দিন শেখ বলেন, ধর্ষণের শিকার ওই স্কুলছাত্রী বর্তমানে নীলফামারী সদর আধুনিক হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
রবিবার রাতে স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। সোমবার সকালে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সিরাজুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। দুপুরে আদালতের মাধ্যমে আসামিকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নীলফামারী সদর আধুনিক হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগের চিকিৎসক শারমিন আকতার লাকি বলেন, ‘সোমবার দুপুরের শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।’