রপ্তানি হচ্ছে মেহেরপুরের নকশিকাঁথা

পুরনো সুতি কাপড়, চাদর কিংবা লুঙ্গি আর নষ্ট বা অচল ভেবে ফেলে দেওয়া যাবে না। এখন সেগুলোও মূল্যবান। কেননা সেই কাপড় ধুয়ে তা দিয়ে তৈরি হচ্ছে হরেক রকমের নকশিকাঁথা। আর এসব কাঁথা রপ্তানি হচ্ছে বিদেশে; যা আজ স্থান করে নিয়েছে ইউরোপ-আমেরিকার দেশে দেশে।

সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের সহগলপুর গ্রাম নকশিকাঁথা পল্লী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এই গ্রামের নারীদের দেখাদেখি আরও সাত গ্রামের নারীরা নকাশকাঁথা তৈরি শুরু করেন। সংসারের কাজের ফাঁকে, অবসরে নারীরা কাঁথা তৈরি করছেন। পুরনো কাপড় দিয়ে দামি নকশিকাঁথা তৈরির সাফল্য দেখিয়েছেন মেহেরপুরের কয়েকটি গ্রামের নারীরা। এ কাজ করে তারা স্বাবলম্বী হয়েছেন।