ইতিহাসের সাক্ষী হতে যাচ্ছি

নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক ‘লাল জমিন’। আজ মঙ্গলবার শূন্যন রেপার্টরি প্রযোজিত এই নাটকটির ২০০তম প্রদর্শনী হতে যাচ্ছে। এই নাটকের প্রসঙ্গ ধরেই দেশ রূপান্তরের মুখোমুখি হয়েছিলেন ‘লাল জমিন’-এর অভিনেত্রী মোমেনা চৌধুরী। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন পাভেল রহমান

লাল জমিনের ২০০তম মঞ্চায়ন

একক নাটক হিসেবে ২০০তম প্রদর্শনীর মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে ‘লাল জমিন’। এ জন্য আমরা গর্বিত। এর মধ্য দিয়ে ইতিহাসের সাক্ষী হতে যাচ্ছি। আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় বিএটিসি মিলনায়তনে বিমান এয়ারলাইনের জনসংযোগ বিভাগের আয়োজনে নাটকটির ২০০তম প্রদর্শনী হবে। এই প্রদর্শনীটি শুধু সাংবাদিক এবং বিমান এয়ারলাইনের আমন্ত্রিতদের জন্য অনুষ্ঠিত হবে।

২০০তম প্রদর্শনীটি সর্বসাধারণের জন্য নয় কেন?

জাতীয় নাট্যশালার পরীক্ষণ থিয়েটার হলে ১৫ মার্চ নাটকটির ২০০তম প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিকতা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু মিলনায়তন বরাদ্দ পাইনি। ২০১৭ সালের ১৫ আগস্ট নাটকটি সবশেষ নাট্যশালায় মঞ্চায়িত হয়েছিল। এত দীর্ঘ বিরতির পর আবেদন করেও মিলনায়তন বরাদ্দ পাইনি। আবেদনে ২০০তম প্রদর্শনীর কথা উল্লেখ করেছিলাম, তারপরও বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। বিমান এয়ারলাইনস আমাদের আমন্ত্রণ জানিয়ে প্রদর্শনী করার সুযোগ দিচ্ছে। তাই, তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই।

নাটকটি নিয়ে দেশ-বিদেশে মঞ্চায়নের অভিজ্ঞতা শুনতে চাই

২০১১ সালে ১৯ মে প্রথম মঞ্চে আসে নাটকটি। এরপর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, লন্ডন, কোরিয়া, ভারত, বাংলাদেশের ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা, উপজেলা শহরের মঞ্চে নাটকটির ১৯৯টি প্রদর্শনী হয়। যার মধ্যে

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ৭৪টি প্রদর্শনীর পৃষ্ঠপোষকতা করেছে। এ ছাড়া সারা দেশে অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি এই নাটকটির মাধ্যমে। আমার থিয়েটার জীবনের সবচেয়ে বড় অভিজ্ঞতা ‘লাল জমিন’।

লাল জমিনের কুশীলবরা

মান্নান হীরার রচনায় নাটকটি নির্দেশনা দিয়েছেন সুদীপ চক্রবর্তী। সংগীত পরিকল্পনা করেছেন জুলফিকার চঞ্চল ও রামিজ রাজু। কণ্ঠ দিয়েছেন বারী সিদ্দিকী, রামিজ রাজু ও নীলা। আলোক পরিকল্পনায় সুদীপ চক্রবর্তী। কস্টিউম ডিজাইন করেছেন ওয়াহিদা মল্লিক জলি এবং তাকে সহযোগিতা করেছেন নীলা। মঞ্চায়নের নেপথ্য কারিগররা হলেন আতিকুল ইসলাম, আতিকুর রহমান, মীর্জা সাকিব, মমতাজ, জুয়েল মিজি, তানভীর সানি ও নিথর মাহবুব।