ভারতে পোশাক রপ্তানি বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ভারতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকপণ্যের বিপুল চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বেশ কিছু সমস্যা রয়ে গেছে। বাণিজ্য সহজ করতে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। 

গতকাল সোমবার বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ সচিবালয়ের কার্যালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাসের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতে তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়াতে কাজ করছে বাংলাদেশ। সীমান্ত হাট ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে চারটি সীমান্ত হাট চালু আছে। আরও ছয়টি হাট স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে। উভয় দেশের মানুষের পণ্য কেনার সীমা বাড়ানো হয়েছে।

টিপু মুনশি বলেন, গত অর্থবছর ভারতে ৮৭৩ দশমিক ২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। একই সময় আমদানি করেছে ৮ হাজার ৬১৯ দশমিক ৪০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য। বাংলাদেশ অনেক কাঁচামাল ভারত থেকে আমদানি করে অন্যান্য দেশে রপ্তানি করে। সেখানে বাংলাদেশের আমদানির চেয়ে রপ্তানি অনেক বেশি।

তিনি বলেন, ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে মিরসরাই ও মংলায় ভারত বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামীতে উভয় দেশের বাণিজ্যে অনেক পরিবর্তন আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী। 

হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাস বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর অনেক সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগগুলো কাজে লাগাতে হবে।

ভারতের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা রয়েছে জানিয়ে রিভা বলেন, উভয় দেশের বাণিজ্য ক্ষেত্রে যেসব সমস্যা বা জটিলতা রয়েছে, আলাপ আলোচনার মাধ্যমে এগুলো সমাধান করা হবে। সীমান্ত হাটের প্রতি

দুই দেশের ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। সীমান্ত হাটের সংখ্যা বাড়ানোর কাজ চলছে। সীমান্ত হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। 

এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব এস এম রেজোয়ান হোসেন, অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) মো. শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।