সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার ১৬ গ্রামের মানুষের প্রতিদিনের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা চরনরিনা বাজার-সংলগ্ন হুরাসাগর নদীর ওপর স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত ২৫০ ফুট দৈর্ঘ্যরে বাঁশের সাঁকো।
এই সাঁকো দিয়েই উপজেলার ১০ স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী প্রতিদিন যাতায়াত করে। এলাকাবাসী জানায়, সাঁকোটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বর্ষা মৌসুমে এ সাঁকো দিয়ে যাতায়াতের সময় অনেক শিক্ষার্থী পানিতে পড়ে যায়।
উপজেলার চরনরিনা, নরিনা, টেপরী, চরটেপরী, বারইটেপরী, পুনারটেপরী, বওশাগাড়ি, সাতবাড়িয়াসহ আশপাশের আরও কয়েক গ্রামের মানুষ এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করেন। এ ছাড়া চরনরিনা উচ্চ বিদ্যালয়, চরনরিনা পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরনরিনা পূর্ব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খামারউল্লাপাড়া হাইস্কুল, সাতবাড়িয়া হাইস্কুল, সাতবাড়িয়া ডিগ্রি কলেজ, সাতবাড়িয়া কারিগরি কলেজ, সাতবাড়িয়া মাদ্রাসা, নরিনা হাইস্কুল ও নরিনা মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের চলাচলের একমাত্র ভরসা এই বাঁশের সাঁকো। এলাকাবাসী জানায়, বর্ষাকালে নদীতে পানি বেশি থাকায় কোমলমতি শিশুশিক্ষার্থীদের সাঁকো পারাপার নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন তারা। জনদুর্ভোগ নিরসনে চরনরিনা বাজার-সংলগ্ন হুড়াসগর নদীর ওপর একটি কংক্রিটের সেতু নির্মাণের দাবি তাদের ।