চট্টগ্রামের ৫ উপজেলায় নৌকার ‘বিদ্রোহী’ ৬ জন

দক্ষিণ চট্টগ্রামের বোয়ালখালী, পটিয়া, চন্দনাইশ, লোহাগাড়া ও বাঁশখালী উপজেলায় আগামীকাল রবিবারের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন ১৬ জন প্রার্থী। এর মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিদ্রোহী প্রার্থী ছয়জন।

এসব বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে দুজন বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন। এতে প্রার্থী ও ভোটারদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হলেও এসব বিদ্রোহী প্রার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না আওয়ামী লীগ।

তবে বিদ্রোহীদের নৌকাবিরোধী আখ্যায়িত করে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোসলেম উদ্দিন আহমেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরা চাইলেই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারি না। তাদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ব্যবস্থা নিতে পারবে।’

বোয়ালখালীতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম রাজার সঙ্গে চেয়ারম্যান পদে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আবদুল কাদের সুজন। পটিয়ায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সদস্য সাজ্জাদ হোসেন এবং বিএনপি সমর্থিত সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা বেগম জলি।

চন্দনাইশে আওয়ামী লীগের প্রার্থী দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি একেএম নাজিম উদ্দিনের সঙ্গে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও এলডিপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগদানকারী আবদুল জব্বার চৌধুরী।

লোহাগাড়ায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খোরশেদ আলম চৌধুরীর সঙ্গে বিদ্রোহী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও এলডিপি থেকে সদ্য আওয়ামী লীগে যোগদানকারী জিয়াউল হক চৌধুরী বাবুল ও উপজেলা বিএনপির একাংশের সাধারণ সম্পাদক এসএম সলিম উদ্দীন খোকন চৌধুরী। বাঁশখালীতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক সাংসদ সুলতান উল কবির চৌধুরীর ছেলে চৌধুরী মুহাম্মদ গালিবের সঙ্গে চেয়ারম্যান পদে বিদ্রোহী প্রার্থী দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম এবং সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মৌলভী নুর হোসেন।