মহান মুক্তিযুদ্ধের ভয়াল কালরাত ২৫ মার্চ স্মরণে নাট্যসংগঠন প্রাচ্যনাট আয়োজন করেছিল ‘লাল যাত্রা’। নবমবারের মতো এই আয়োজনটি সোমবার বিকেলে শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরে (টিএসসি)। একটি ইম্প্রভাইজেশন অভিনয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ‘লাল যাত্রা’। প্রাচ্যনাটের শিল্পীরা তাদের পরিবেশনায় তুলে ধরেন সেই রক্তাক্ত সময়।
এরপর রক্তস্নাত পথ ধরে সবান্ধব হেঁটে চলেন সবাই। শিল্পীদের সঙ্গে টিএসসি এলাকায় থাকা সাধারণ মানুষও সম্পৃক্ত হোন এই পদযাত্রায়। সকলের কণ্ঠে তখন ‘ধন ধান্য পুষ্পভরা’ গান। ফুলার রোডের সড়কদ্বীপের স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে গিয়ে শেষ হয় পদযাত্রায়। সেখানে শহীদদের স্মরণে প্রদীপ প্রজ্বালন করা হয়। ইম্প্রভাইজেশনটির নির্দেশনা দিয়েছেন কাজী তৌফিকুল ইসলাম ইমন।
‘লাল যাত্রা’র মূল ভাবনা রাহুল আনন্দ। নবমবারের এই আয়োজন প্রসঙ্গে রাহুল আনন্দ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ’৫২ থেকে ৭১ কিংবা ৭ই মার্চ থেকে ১৬ই ডিসেম্বর, সেটা তো ইতিহাসের পথে হেঁটে যাওয়া। আমরা আসলে হেঁটে চলি আমাদেরই পূর্বপ্রজন্মের রক্তভেজা পথে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চে এদেশের মানুষের সঙ্গে যে নৃশংসতা হয়েছিল সেটা স্মরণ করতেই এই আয়োজন।’
তিনি আরো বলেন, ‘২৫ মার্চ ভয়াল কালরাতের শহীদের তাজা রক্তে ভিজে রাঙা হলো পলাশ, শিমুল- হরেক রঙের ফুল। দীর্ঘ কালরাত্রির প্রাক্কালে আমাদের পূর্ব-প্রজন্মের লাল রক্তের পথ ধরে- স্বাধীন আমরা হেঁটে চলি ঐক্যের বন্ধনে- লালযাত্রায়।’