বিএসটিআই ল্যাবরেটরির পরীক্ষা

বেশিরভাগ খোলা ভোজ্যতেলে ভিটামিন ‘এ’ নেই

খোলা ভোজ্যতেলের বেশিরভাগেই পর্যাপ্ত ভিটামিন নেই। বাজার থেকে সম্প্রতি ড্রামজাত ভোজ্যতেলের ৫০টি নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। এসব নমুনার মধ্যে ১৭টিতে কোনো ভিটামিন ‘এ’ পাওয়া যায়নি। ২৯টিতে নির্দিষ্ট মাত্রায় (১৫-৩০ পিপিএম) ভিটামিন ‘এ’ পাওয়া গেলেও ৩টিতে ৫ পিপিএম-এর নিচে ভিটামিন ‘এ’ পাওয়া যায়। এছাড়া ড্রামজাত ভোজ্যতেলে ৫০টির মধ্যে ২১টিতে কাক্সিক্ষত মাত্রায় ভিটামিন ‘এ’ পাওয়া যায়নি।

গতকাল বুধবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ের বিএসটিআইর প্রধান কার্যালয়ে গেইন-বাংলাদেশের সহযোগিতায় ভোজ্যতেল রিফাইনারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ভোজ্যতেলে ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধকরণ এবং পরিশোধিত তেলে কালারের মাত্রা নির্ধারণ ও ড্রাম নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আলোচনা সভায় তথ্য জানান। ল্যাবরেটরিতে ভোজ্যতেল পরীক্ষণের এ ফলাফল তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক মো. মুয়াজ্জেম হোসাইন। 

তিনি জানান, বোতলজাত ভোজ্যতেলের ৪৪টি নমুনার মধ্যে ৪২টিতে কাক্সিক্ষত মাত্রায় (১৫-৩০ পিপিএম) ভিটামিন ‘এ’ পাওয়া যায়। তবে ২টি নমুনায় ভিটামিন ‘এ’ পাওয়া যায়নি। যে দুটি নমুনায় কাক্সিক্ষত মাত্রায় ভিটামিন ‘এ’ পাওয়া যায়নি তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে । মুয়াজ্জেম বলেন, ড্রামজাত ভোজ্যতেলে কোনো কোম্পানির নাম উল্লেখ নেই। তাই কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। তাই অবিলম্বে ড্রামের পরিবর্তে ফুডগ্রেড বোতলে ভোজ্যতেল বিক্রির জন্য রিফাইনারিসহ সংশ্লিষ্ট সবাই নির্দেশ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। এ ছাড়া সভায় ভোজ্যতেলে প্রাকৃতিক রং স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে না কমানোসহ ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।