রংপুরে নাশকতা সৃষ্টির পরিকল্পনায় গোপন বৈঠক চলাকালীন জামাত-শিবিরের ৬ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর পুলিশ। রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর নীলকণ্ঠ এলাকার মুঈদ ছাত্রাবাসে অভিযান চালিয়ে উগ্রবাদী বই ও লিফলেটসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
রাত ১১টায় কোতোয়ালি থানায় প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মহানগর পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ আব্দুল আলীম মাহমুদ।
এসময় তিনি বলেন, সোমবার রংপুর নগরীতে নাশকতা সৃষ্টির পরিকল্পনা ছিল তাদের। এর আগেই রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রংপুর জেলা ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি ও সাবেক কোতোয়ালি থানা আমির এবং মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট কাওছার আলীসহ (৪৬) ৬ জন জামাত-শিবির নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত অন্যরা হলেন- নীলকণ্ঠ এলাকার এনছার উদ্দিনের ছেলে ও মুঈদ ছাত্রাবাসের মালিক জামায়াত কর্মী সোহেল রানা লিমন (৪৩), নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে শিবিরকর্মী মেজবাহুল হক (১৯), রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার পশ্চিম বড়বিল মামাপাড়ার ইদ্রিস আলীর ছেলে ইয়াহিয়া (১৯), কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার ভাঙামোড় এলাকার সেকেন্দার আলীর ছেলে তাজুল ইসলাম (২৫) এবং রংপুর নগরীর নিউ সেনপাড়ার মৃত ওয়াহেদ হোসেনের ছেলে দিনাজপুরের খানসামা ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক জামাতকর্মী এ.কে.এম মাহমুদুর রহমান (৫৮)।
পুলিশ কমিশনার আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে অ্যাডভোকেট কাওছার আলী পরোয়ানাভুক্ত আসামি। তার বিরুদ্ধে থানায় নাশকতার একাধিক মামলা রয়েছে।
এছাড়াও সোহেল রানা লিমনের নামেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।