স্মার্ট লোকেরা যেভাবে প্রশ্ন করেন

পরিচিত, অপরিচিত কারও সঙ্গে কথা বলার সময় ‘প্রশ্ন’ একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। আপনি কীভাবে অন্যের কাছে নিজেকে উপস্থাপন করছেন, তাকে কতটা মূল্যায়ন করছেন; প্রশ্নের ধরনে সেটি বোঝা যায়। শুধু ভালো উত্তর পেতেও প্রশ্নের ধরনে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করা উচিত। জনপ্রিয় মোটিভেশনাল স্পিকার জেফ হেডেন এ বিষয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।

এক বাক্যে প্রশ্ন করুন : আপনার প্রশ্ন যেন উত্তরের মতো না হয়। যা জানতে চান, সেটি অল্প কথায় প্রকাশ করুন। এ ক্ষেত্রে ক্লোজ-এন্ডেড প্রশ্ন না করে ওপেন-এন্ডেড করা উচিত। অর্থাৎ যে প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ বা না আসে, সেগুলো এড়িয়ে যাওয়া উচিত।

যেমনÑ ‘আমরা কি উৎপাদন বাড়াতে পারি?’ এভাবে প্রশ্ন করে লাভ নেই। বরং এভাবে করা উচিত, ‘কীভাবে আমরা উৎপাদন বাড়াতে পারি? কীভাবে আমরা গুণগত মান বাড়াতে পারি?’

মতামত জানানোর সুযোগ দিন : অনেক সময় কর্মীদের সঙ্গে আলাপ করতে গেলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিজের কিছু মতামত জানিয়ে কোনটি ঠিক, সেটি জিজ্ঞেস করেন। যেমন: ‘আমাদের কি আবার কাজ শুরু করা উচিত?’ নাকি, ‘এভাবে চালিয়ে যাওয়া উচিত?’ এমন প্রশ্ন করলে উত্তরদাতা নিশ্চয়ই দুটির একটি বেছে নেবেন। আপনি বরং এভাবে প্রশ্ন করুন, ‘এখন আমাদের কী করা উচিত?’

উত্তরদাতাকে তার গুরুত্ব বোঝান : কর্মস্থলের বাইরে অনেক সময় আমরা অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। সে ক্ষেত্রে যার সঙ্গে আপনি কথা বলতে চান, তাকে তার গুরুত্ব বোঝান। শুরুটা করতে পারেন এভাবে, ‘আমি জানি আপনি ব্যস্ত মানুষ, তবু আপনাকে একটু বিরক্ত করতে চাই। আপনার কি একটু সময় হবে?’ এটা শোনার পর উত্তরদাতা নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ ভাবতে শুরু করবেন। যার কারণে তিনি আপনার সঙ্গে কথা বলতেও আগ্রহ প্রকাশ করবেন।