আরব বিশ্বের অধিকাংশ পরিবারই দুই অথবা তিনজন সন্তান চায়। কিন্তু ২০১৮ সালে ইয়েল ইউনিভার্সিটির এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, আরব বিশ্বে সন্তান জন্ম দেওয়ার সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমছে। ১৯৭৫ সালের আগ পর্যন্ত আরব দেশগুলোর সরকার পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণের বিরুদ্ধে ছিল।
গবেষণায় বলা হয়, জলবায়ুগত অবস্থা, অর্থনৈতিক, অবকাঠামো এবং যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত পরিবেশবিরোধী উপকরণের কারণে আরব দেশগুলোর নারী-পুরুষের সন্তান জন্মহার কমছে। গবেষক দলের সদস্য মার্সিয়া ইনহর্ন বলেন, ‘আগের তুলনায় বর্তমানে আরব দেশের নারীরা অধিক শিক্ষিত হচ্ছেন এবং তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুনভাবে চিন্তিত।’
১৯৭৫ থেকে ১৯৮০ সালের মধ্যে আরব বিশ্বের প্রত্যেক নারীর গড়ে সাতজন সন্তান ছিল। কিন্তু ক্রমশ তা কমে তিন দশমিক ৮৫ শতাংশে পৌঁছেছে। মিসর, জর্ডান এবং ইয়েমেনের নারীদের মধ্যে তিনের অধিক সন্তান নেওয়া হচ্ছে এখনো। আরব দেশগুলোর সামাজিক অবকাঠামোর বিন্যাসেও পরিবর্তন এসেছে। আগের মতো তারা আর যৌথ পরিবারে সীমাবদ্ধ থাকছে না। কারণ একক পরিবারে সহজেই গোপনীয়তা বজায় রাখা যায়। সন্তানদের সহজেই শিক্ষিত করা যায়। সূত্র : আলজাজিরা