গাইবান্ধা-তালতলা-গিদারী সড়কের ১১ কিলোমিটারের মধ্যে নয় কিলোমিটার রাস্তাই বেহাল। কার্পেটিং ওঠায় তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে পাঁচটি ইউনিয়নের ২০ সহস্রাধিক মানুষকে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এই পথে চলাচলকারী যানবাহন অল্প দিনেই নষ্ট হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মালিকরা। শুধু তাই নয়, রোগীদের পড়তে হচ্ছে চরম বিপাকে।
সদর উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আট বছর আগে ঘাঘট নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে খোলাহাটী ইউনিয়নের বাঁধের মাথা মিয়াপাড়া থেকে গিদারী ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত প্রায় নয় কিলোমিটার রাস্তা পাকা করা হয়। রাস্তাটি দিয়ে সদর উপজেলার খোলাহাটী, ঘাগোয়া, গিদারী, কামারজানী ও মোল্লারচর ইউনিয়নের মানুষ চলাচল করে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাস্তার দুই পাশেই কোনো ফুটপাত নেই। তাই মানুষ রাস্তার ওপর দিয়েই চলাচল করে। দুই পাশ থেকেই গাড়ি এলে হেঁটে যাওয়া মানুষকে পাশের জমিতে নামতে হয়। অপরদিকে একটি ট্রাক ঢুকলে বিপরীত দিকে থেকে আসা গাড়ি ক্রস করে যেতে ঝুঁকি থাকে।
খোলাহাটীর ছয় নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ বলেন, সড়কটি দিয়ে খোলাহাটীর মিয়াপাড়া, পূর্ব কোমরনই, ভাটিয়াপাড়া, ঘাগোয়ার হাতিয়া, তালতলা, কাটিহারা, পঁচারকুড়া, গিদারীর পার বাগুড়িয়া, আনালের ছড়া, ধুতিচোরা, দক্ষিণ গিদারী, সিধাই, চিথুলিয়া দিগরসহ আশপাশের গ্রামগুলোর ২০ সহস্রাধিক মানুষ চলাচল করে। বেহাল রাস্তায় চলাচলের সময় বর্তমানে তাদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
বেহাল রাস্তায় মানুষকে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে স্বীকার করে সদর উপজেলা প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ মোল্লা বলেন, পুরো রাস্তাটি আগামী জিওবি মেইনটেন্যান্স প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।