বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে করোনারি হৃদরোগের ৫৪ শতাংশ দায়ী ধূমপানের কারণে। ধূমপায়ীর হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা ছয় গুণেরও বেশি। তাই ধূমপান ছাড়ার জন্য কিছু উপায় রইল।
ধূমপান ছাড়ার জন্য বাস্তবে কোনো দৃঢ় প্রতিজ্ঞার প্রয়োজন নেই। এ জন্য নিজের ইচ্ছা আর সিদ্ধান্তই যথেষ্ট।
অনেকেই সিগারেট ছাড়ার কথা ভেবে পকেটে সিগারেট রাখেন না। ভাবেন খেতে ইচ্ছে করবে। অথচ সঙ্গে না থাকলে ধূমপানের ইচ্ছে আরও বেশি হয়। তাই সিগারেট ও ম্যাচ পকেটেই রাখুন।
খেয়াল রাখুন আপনি কখন কখন ধূমপান করেন। ধূমপানের ইচ্ছা একেকজনের মধ্যে একেক সময়ে জাগে। এ সময়গুলোতে তিনি অনেকটা নিজের অজান্তেই ধূমপান করেন। তাই এই সময়ে সচেতন থেকে ধূমপান পরিহার করুন।
আজ থেকে আপনি কেবল অন্য কাজ করার সময় ধূমপান করা থেকে বিরত থাকুন। যদি সিগারেট ধরিয়ে ফেলার পর খেয়াল হয় যে, আপনি সিগারেট ধরিয়ে ফেলেছেন, তাহলে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, আপনি এখন সত্যি সত্যি সিগারেট খেতে চান কি না।
যদি সত্যি সত্যিই সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছা হয়, তাহলে অন্য সব কাজ বাদ দিয়ে চুপচাপ আরাম করে বসুন। চুপচাপ বসে সিগারেট খান। মনোযোগ দিয়ে সিগারেট খান।
একদিন ধূমপান না করে দেখুন। এরপর পার্থক্য অনুভব করার চেষ্টা করুন। এরপর দুই দিন, তিন দিন ধূমপান থেকে দূরে থাকুন। তাহলে অভ্যাস গড়ে উঠবে। আপনার আশপাশে যারা ধূমপান বর্জন করেছে তাদের অনুসরণ করুন। তাদের স্বাস্থ্যগত কী পরিবর্তন এসেছে সেটি জানার চেষ্টা করুন।
একটা হিসাব করে দেখুন তো সিগারেট কিংবা তামাকজাত পণ্যের জন্য প্রতিমাসে আপনার কত টাকা খরচ হয়? হিসাব করে দেখলে ধূমপান ছাড়া আপনার জন্য সহজ হবে। সে টাকা জমিয়ে অন্য খাতে খরচ করতে পারেন।
সিগারেট ছাড়ার পর মুখে চুইংগাম কিংবা আদা চিবাতে পারেন। তাহলে ধূমপানের প্রতি আকর্ষণ কমে আসবে।