বাংলাদেশের সাহসী মেয়ে নুসরাত জাহান রাফি। তার সাহসের খবর দেশ ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও। পুলিৎজার বিজয়ী সাংবাদিক নিকোলাস ক্রিস্তফ তাকে অভিহিত করেছেন হিরো বলে।
কিছু সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী নুসরাতের সাহসের কাছে পরাস্ত হয়ে তাকে পুড়িয়ে মারে। তাকে পোড়ানোর আগে যৌন হয়রানিকারী মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিতেও বলা হয়েছিল। কিন্তু নুসরাত মামলা তোলেনি। মৃত্যু শয্যায় জানিয়ে গিয়েছিল খুনিদের নাম। বান্ধবীদের চিঠিতে বলে গিয়েছিল, শেষ পর্যন্ত সে লড়াই করবে।
লড়াকু নুসরাত ঘরে-বাইরে সবার ছিল প্রিয়। তার চিন্তা-ভাবনাও ছিল পরিচ্ছন্ন। কবিতা লিখত।
তার লেখা কয়েকটি বাক্য ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে পাওয়া যায় নুসরাতের চিন্তার গভীরতা। জীবন ও সমাজ নিয়ে তার ইতিবাচক ভাবনাগুলো নাড়া দিয়ে যাবে পাঠককে।
লাল রঙের কাগজে মেয়েলি হাতে লেখা নুসরাতের কয়েকটি বাক্য এমন যা বদলে দেবে অনেকের ভাবনাকে।
‘একটা মানুষ যতই খারাপ হোক না কেন, তার মধ্যে একটা ভালো গুণ থাকে, আর একটা ভালো গুণ লক্ষ্য করে আমরা যদি সে ব্যক্তিকে উৎসাহ দিই, তাহলে আল্লাহর রহমতে সে ব্যক্তি নিশ্চয়ই ভালো পথে আসবে, খারাপ দিকে নয়, লক্ষ্য রাখুন ভালো দিকে’।