সাংবাদিকদের হেনস্তার ঘটনায় শমী কায়সারের বিরুদ্ধে মানহানির মামলার আবেদন গ্রহণ করেছেন আদালতে।
স্টুডেন্ট জার্নাল বিডি নামে একটি নিউজ পোর্টালের সম্পাদক নুজহাতুল হাসান মঙ্গলবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এই আবেদন করেন।
ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূর বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। এরপর মামলাটি গ্রহণ করে ওসি রমনাকে তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।
নুজহাতুল হাসান দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জুনের ১৬ তারিখের মধ্যে জমা দিতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের একটি মিলনায়তনে ই-কমার্সভিত্তিক পর্যটন বিষয়ক সাইট ‘বিন্দু৩৬৫’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শমী কায়সারের দুইটি মোবাইল ফোন খোয়া যায়।
এ ঘটনায় শমী কায়সারের নির্দেশে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মীরা, মিলনায়তনের মূল দরজা বন্ধ করে প্রায় অর্ধশত সাংবাদিককে আটকে রাখে এবং সাংবাদিকদের ব্যাগ তল্লাশি করেন ।
ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বেশ কয়েকজন সংবাদকর্মী অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করতে চাইলে, তাদেরকে ‘চোর’ বলে অভিহিত করার পরিপ্রেক্ষিতে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
পরে বিভিন্ন টেলিভিশনের ক্যামেরার ও সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সন্দেহভাজন হিসেবে এক তরুণকে চিহ্নিত করা হলেও এখনও তার কোনো খোঁজ মেলেনি।
এ ঘটনায় সাংবাদিকদের হেনস্তার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছেন শমী কায়সার।
তবে সাংবাদিকদের ‘চোর’ বলার মধ্য দিয়ে মানহানি করা হয়েছে অভিযোগ করে শমী কায়সারের বিরুদ্ধে এই মামলার আবেদন করেন নুজহাত।
শহীদ বুদ্ধিজীবীর সন্তান শমী অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার পর এখন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই- ক্যাব) সভাপতি এবং এফবিসিসিআইর পরিচালক।