ঘূর্ণিঝড় 'ফণী' শুক্রবার মধ্যরাত নাগাদ খুলনায় পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অফিস।
ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে শুক্রবার দুপুর থেকে খুলনায় ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। সকালে রোদ থাকলেও বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ অন্ধকার হতে থাকে। ধীরে ধীরে পুরো আকাশ ছেয়ে যায় কালো মেঘে।
বেলা দেড়টার দিকে হালকা দমকা বাতাসের সঙ্গে শুরু হয় বৃষ্টি। হালকা বাতাসের সঙ্গে থেমে থেমে চলতে থাকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি।
সর্বশেষ রাত ৮টা পর্যন্ত খুলনায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। এর সঙ্গে মৃদু বাতাসও বইছে। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ২০ কি. মি. হতে পারে বলে জানিয়েছেন আমাদের খুলনা প্রতিনিধি।
তিনি জানান, বাতাস কখনো থেমেও যাচ্ছে। আবার গতিবেগ কমেও যাচ্ছে। খুলনাবাসী আতঙ্কের মধ্য দিয়ে 'ফণী'র অপেক্ষায় আছে। রাস্তায় যান ও লোক চলাচল নেই বললেই চলে। এ ছাড়া বেশিরভাগ দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’ শুক্রবার দুপুর ১২টায় মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৯০ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে এবং চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭০০ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।
এটি আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে আজ মধ্যরাত নাগাদ খুলনা ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এলাকায় পৌঁছাতে পারে। খুলনা ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় আজ সকাল থেকে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’র অগ্রবর্তী অংশের প্রভাব শুরু হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটার মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।