ফণির ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রস্তুত চসিক

ঘূর্ণিঝড় ফণির সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে জানিয়ে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন পতেঙ্গার সাগর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয় নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরের পতেঙ্গা উপকূল সরেজমিন পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, নগরবাসীকে সহায়তা দিতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে কন্ট্রোলরুম চালু করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য ও সেবা পেতে কন্ট্রোল রুমের টেলিফোন নম্বরে (৬৩০৭৩৯, ৬৩৩৪৬৯) যোগাযোগ করতে পারবেন নগরবাসী। ১৩টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) একযোগে কাজ করছে। নগরের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীরাও প্রস্তুত আছেন। পাশাপাশি প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৬০টি মেডিকেল টিম।
পরিদর্শনকালে চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, রেড ক্রিসেন্টের সহ-সভাপতি ডা. শেখ শফিউল আজম, কাউন্সিলর সালেহ আহমদ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, চসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) সুদীপ বসাক দেশ রূপান্তরকে বলেন, ঘূর্ণিঝড় ফণির আঘাতে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৪৩টি ডাম্প ট্রাক, ১৮টি পানিবাহী ভ্যান, ৫টি অ্যাম্বুল্যান্স ৫টি পে-লোডার, ৮টি স্কাই লিফট, ৬টি পানিবাহী ভাউচার, ৫টি পানিবাহী টেম্পো, ২টি ব্রেক ডাউন, ১টি বুলডোজার, ১৫টি মাইক্রোবাস, কার, ডাবল কেবিন পিকআপ, ১৬টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ২টি সুপার পাওয়ার গাছ কাটার মেশিনসহ নানা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। এ ছাড়াও পাহাড় ধসের আশঙ্কায় বিভিন্ন এলাকায় নির্দেশনামূলক মাইকিং করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।