নারীবাদীরা যাই বলুন আফ্রিদি মেয়েদের ঘরেই রাখবেন

সামাজিক ও ধর্মীয় অনুশাসনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নিজের মেয়েরা আউটডোর কোনো খেলাকে পেশা হিসেবে বেছে নিক এমনটা চান না শহীদ আফ্রিদি। সম্প্রতি প্রকাশিত নিজের আত্মজীবনী গেম চেঞ্জার এমনটাই বলেছেন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক। তবে ইনডোর কোনো খেলাকে পেশা হিসেবে বেছে নিলে আপত্তি নেই তার।

আফ্রিদির আত্মজীবনী প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে একের পর একে আলোচিত বিষয় উঠে আসছে। নিজের বয়স নিয়ে যেমন খোলামেলা কথা বলেছেন। ভারতীয় ক্রিকেটার গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে তো তৈরি হয়ে গেছে এক রকম কথাই যুদ্ধই। ২০১০ সালে লর্ডসে মোহাম্মদ আমির, সালমান বাটদের ফিক্সিং নিয়েও আলোড়ন ফেলার মতো তথ্য দেন আফ্রিদি।

এবার পরিবারের বিষয়টি উঠে এসেছে সংবাদমাধ্যমে। যেখানে মেয়েদের খেলোয়াড় বানাবেন কিনা এ প্রসঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন। আফ্রিদি তার আত্মজীবনীতে লিখেছেন, ‘‘আমি চাইব না তারা আমার মতো ক্রিকেট খেলাকে তারা পেশা হিসেবে নিক। শুধু ক্রিকেট নয়, যেসব খেলা ঘরের বাইরে গিয়ে খেলতে হয়, আমার মেয়েরা সেসব খেলা খেলুক এটা আমি চাই না ।’’

তবে ইনডোর খেলাতে আপত্তি নেই পাকিস্তানি তারকার, ‘‘ঘরের ভেতরে (ইনডোর গেমস) যেকোনো খেলায় ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে তারা গড়তে পারে। কিন্তু ঘরের বাইরের কোনো খেলায় আমার মত নেই।’’

এ ব্যাপারে আফ্রিদির স্ত্রী নাদিয়া আফ্রিদিও একমত বলে উল্লেখ করেন তিনি। নিজের কথায় নারীবাদীদের পক্ষ থেকে যে বক্তব্য আসতে পারে সেটি বুঝতে পেরেই বোধ হয় আফ্রিদি সে প্রসঙ্গও টানলেন।

আফ্রিদি বলেন, ‘‘সামাজিক ও ধর্মীয় অনুশাসনের কথা বিবেচনায় রেখেই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নারীবাদীরা আমাকে যা খুশি বলতে পারেন। আমার তাতে কিচ্ছু যায় আসে না। তবে আমি আমার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি।’’

আফ্রিদি ও নাদিয়া আফ্রিদির ঘরে রয়েছে চার কন্যা। তাদের নাম আকসা, আসমারা, আনশা ও আজওয়া। বড় মেয়ে আকসা পড়ে ক্লাস টেনে। আসমানা ক্লাস নাইনে। পরের দুজন বেশ ছোট।