ফের মুখোমুখি হৃতিক-কঙ্গনা!

বলিউডের দুই সুপারস্টার হৃতিক রোশন আর কঙ্গনা রানৌতের সম্পর্কের কথা কে না জানেন। তাদের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে আর কম জল ঘোলা হলো না! ২০১৬ সালে একদিন সংবাদ সম্মেলন ডেকে কঙ্গনা হৃতিককে বললেন, ‘সিলি এক্স।’ এরপর কেঁচো খুঁড়তে সাপ বের হয়ে আসে। জানা যায়, একের পর এক চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। সামনে আসে একজন আরেকজনকে লেখা মেইল আর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের স্থিরচিত্র। এমনকি একজন আরেকজনকে আইনি নোটিসও পাঠান। কঙ্গনা একের পর এক তার আর হৃতিকের সম্পর্ক নিয়ে গোপন কথা ফাঁস করেছেন। হৃতিক রোশন আর তার বাবা রাকেশ রোশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। সেই সময় হৃতিক চলে গেছেন আড়ালে, থেকেছেন একেবারে চুপ। তবে কঙ্গনাকে মানহানির আইনি নোটিস পাঠাতে ভোলেননি। কঙ্গনাও কম যান না। তিনিও পাঠিয়েছেন পাল্টা আইনি নোটিস। পাল্টাপাল্টি কাদা ছোড়াছুড়ি শেষ করে উভয়েই মনযোগ দেন ক্যারিয়ারে। কেউ ভুলেও কারও পথ মাড়াননি। কিন্তু বিধাতার খেলা বোঝা ভারি দায়। দীর্ঘ চার বছর পর আবার মুখোমুখি কঙ্গনা ও হৃতিক। তবে এবার আর ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব নয়, আগামী ২৬ জুন একই দিনে মুক্তি পাবে কঙ্গনার ‘মেন্টাল হ্যায় কেয়া’ ও হৃতিক রোশনের ‘সুপার থার্টি’। যদিও ‘মেন্টাল হ্যায় কেয়া’ ছবির প্রাথমিক মুক্তির তারিখ ছিল ২১ জুন।

এ পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। কিন্তু টুইটারে বোমা ফাটালেন কঙ্গনার বোন রাঙ্গোলি চান্ডেল। জানালেন, প্রযোজক একতা কাপুর নাকি হৃতিক রোশনের সঙ্গে আলাপ করে ছবি মুক্তির তারিখ পিছিয়েছেন। অর্থাৎ বিষয়টা দাঁড়াচ্ছে এমন, কঙ্গনার ছবির সর্বনাশ করা হৃতিকের মূল উদ্দেশ্য। অন্যদিকে আত্মবিশ্বাসী হৃতিক রোশন একই দিনে ছবি মুক্তি দিয়ে দেখাতে চান, সাবেক প্রেমিকার সঙ্গে ছবির দৌড়ে কতটা এগিয়ে তিনি। এরপরও থামেননি রাঙ্গোলি। টুইটারে এবার সরাসরি আক্রমণ করেছেন হৃতিককে। লিখেছেন, ‘সে যুদ্ধক্ষেত্রে মানুষকে পেছন থেকে আক্রমণ করার ব্যাপারে বরাবরই খুবই পারদর্শী।’

‘মেন্টাল হ্যায় কেয়া’ ছবির মুক্তির তারিখ ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ‘সুপার থার্টি’র নির্মাতারা ঘোষণা দেন, তারা তাদের ছবি মুক্তির তারিখ পরিবর্তন করছেন না। অর্থাৎ ২৬ জুন মুক্তি পাবে ‘সুপার থার্টি’।

এ অবস্থায় একতা কাপুর নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে হাতে তুলে নিয়েছেন টুইটার। শুধু ভালো ব্যবসার খাতিরেই ছবি মুক্তির তারিখ পেছানো হয়েছে বলে তিনি সেখানে আরও লেখেন, ‘নোংরা টুইট শুরু হয়েছে। আমি নিশ্চিত করছি, আমি এটা পরিষ্কার রাখব এবং আমার অভিনয়শিল্পীরাও তা করবে। আশা করি, ছবি মুক্তির তারিখকে ইস্যু করে ব্যক্তিগত যুদ্ধ বন্ধ হবে। কারণ এটা আমার সিদ্ধান্ত, অন্য কারও না।’