দিনাজপুরের পর্বতীপুরে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে এক কিশোরীকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করেছে এক যুবক। তবে তার শেষ রক্ষা হয়নি। বাড়ি ও প্রতিবেশী লোকজন ওই যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
এ ঘটনায় বুধবার ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পার্বতীপুর মডেল থানায় সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ধর্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে দিনাজপুর জেল হাজতে পাঠিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পার্বতীপুর উপজেলার হাবড়া ইউনিয়নের শেরপুর ভবানীপুর বাজারের আবু সায়েমের ছেলে মোস্তফা তামিম অনিক (১৯)। এইচএসসি পাশ এই যুবক গত বুধবার গভীর রাতে পশ্চিম শেরপুর গ্রামের ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাড়ির প্রাচীর টপকিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে তার কিশোরী কন্যাকে (১৭) ধর্ষণ করে। এসময় প্রতিবেশী লোকজন আপত্তিকর অবস্থায় তাদের আটক করে। শেরপুর ভবানীপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কিশোরী এবার এসএসসি পাশ করেছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পার্বতীপুর মডেল থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক আতিকুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় থানায় ধর্ষণ মামলা হয়েছে। ধর্ষককে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
ভিকটিমকে বৃহস্পতিবার সকালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তাপস রায় ওই কিশোরীর ঘটনার বিষয়ে জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। কিশোরী তার জবানবন্দিতে গ্রেপ্তার যুবক বিয়ের প্রলোভনে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করে আসছে বলে উল্লেখ করে।