সীতাকুন্ডে সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ৩৫

সীতাকুন্ডের কুমিরার জেলেপাড়ায় গত সোমবার গভীর রাতে ইয়াবা ব্যবসায়ী সন্দেহে এক যুবককে আটকের জেরে পুলিশ ও এলাকাবাসীর মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ১০ পুলিশসহ ৩৫ জন আহত হয়।

সোমবার রাত ১২টার দিকে রুবেল জলদাসকে নিজ ঘর থেকে আটক করে পুলিশ। তাকে আটকের ঘটনায় এলাকাবাসীর সঙ্গে পুলিশের বাগ্বিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে তারা রুবেলকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে ও কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। অভিযান চলাকালে গুলির শব্দে বিলম্ব দাসী (৬৫) নামে এক বৃদ্ধা হার্ট অ্যাটাকে মারা গেলে পুলিশের হামলায় নিহত হন বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। এ খবরে উত্তেজিত এলাকাবাসী পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় এসআই জাহেদুল ইসলাম জসিমসহ পাঁচ পুলিশ আহত হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

এরপর রাত ২টার দিকে সীতাকুণ্ড থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর এলাকাবাসী হামলা চালায়। এ সময় ওসি (তদন্ত) আফজাল হোসেন পায়ে গুলিবিদ্ধ এবং সেকেন্ড অফিসার (এসআই) সুজায়েত হোসেনসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশ শতাধিক রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে। এলাকাবাসী চারদিক থেকে পুলিশদের ঘিরে রেখে ইট, পাথর ও কাচের বোতল নিক্ষেপ করতে থাকে। পরে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনস থেকে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ সময় ১১ জনকে আটক করে পুলিশ।

সীতাকু- থানার ওসি (তদন্ত) আফজাল হোসেন বলেন, ‘এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করলে এলাকাবাসী পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নেয়। পরে আমরা এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলতে গেলে আমাদের ওপরও হামলা চালায় তারা।’