আমের ক্ষতিকর রাসায়নিকের ব্যবহার ঠেকাতে এবং ভোক্তাদের কাছে নিরাপদ ও মানসম্মত আম তুলে দিতে নওগাঁর আমবাগানগুলোতে চলছে পুলিশ প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের বিশেষ নজরদারি। পাশাপাশি রাসায়নিকে পাকানো আম বাজারজাতকরণ ঠেকাতে কৃষি বিভাগ থেকেও নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন সচেতনতামূলক পদক্ষেপ। আর তা মেনে চলছেন বাগান মালিকরা। নওগাঁর ওইসব বাগানের সুস্বাদু গোপালভোগ আম আগামীকাল শুক্রবার নওগাঁসহ দেশের বাজারে আসবে।
আমের দ্বিতীয় রাজধানী নামে পরিচিত নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চল পোরশা, সাপাহার, নিয়ামতপুর ও পতœীতলা উপজেলা। আম চাষ লাভজনক হওয়ায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে নওগাঁর এই অঞ্চলে আমের চাষ। নওগাঁয় উৎপাদিত আম শুধু দেশেই নয়, যাচ্ছে দেশের বাইরেও। আদালতের নির্দেশ মেনে নওগাঁর আমবাগানগুলোতে নিয়মিত টহল দিচ্ছে পুলিশ। পাশাপাশি জেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগও বিশেষ নজরদারি রাখছে এবং বাগানিদের সচেতনতামূলক পরামর্শ দিচ্ছেন। আমগাছে চাষিরা ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করছে কি না, সে বিষয়ে নজরদারি চলছে।
সাপাহার উপজেলার আমবাগান মালিক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আদালতের আদেশ সব সময় মেনে চলি। আমে কোনো দিনই ক্ষতিকর কীটনাশক প্রয়োগ করিনি। কিন্তু গাছে আম ধরে রাখার জন্য স্প্রে করতে হয়। সেই স্প্রের বিষক্রিয়া প্রয়োগের সাত দিনের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায়। যখন বাগান থেকে আম পাড়তে যায় তখন কিছু ব্যবসায়ী বেশি মুনাফার আশায় আমে ক্ষতিকর ওষুধ প্রয়োগ করে। এ অঞ্চলের আমবাগানগুলো হাইব্রিড জাতের। তাই কোনো রাসায়নিক ব্যবহার করতে হয় না। আগে সামান্য কিছু কীটনাশক ব্যবহার করলেও বর্তমানে আদালতের আদেশ মেনে চলা হচ্ছে।’