পটুয়াখালীর মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পেছনের পুকুর দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে দোকানঘর। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় কৌশলে রাতের আঁধারে এসব ঘর তোলা হয়েছে। ঘর তোলায় জড়িতদের দাবি, পুরনো দোকানঘরের চালা পরিবর্তন করেছেন তারা।
এ নিয়ে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তাসহ দখলদারদের রয়েছে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য। সরকারি খাসজমি ও পুকুর দখল করে স্থাপনা নির্মাণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।
স্থানীয়রা জানান, জেলার মহিপুর সদর থানার শেখ রাসেল সেতুর নিচে মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পেছনের পুকুর দখল করে দোকানঘর তোলেন একই এলাকার আলমগীর হোসেন, দেলোয়ার চৌকিদার ও সুলতান ফরাজি। ৩০ ফুট প্রস্থ ও ২০ ফুট দৈর্ঘ্যরে সমান অংশীদারত্বের এ দোকানঘরটি গত শুক্রবার রাতে তিনজনে মিলে নির্মাণ করেছেন।
মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) আবদুল আজিজ দেশ রূপান্তরকে বলেন, শুক্রবার রাতের আঁধারে ঘর তোলার সংবাদ জেনে তাৎক্ষণিকভাবে লোক পাঠিয়ে কাজ বন্ধসহ স্থাপনা ভেঙে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অফিসের লোকজন সেখানে উপস্থিত থেকে স্থাপনা সরানো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থাপনা নির্মাণকারী দেলোয়ার চৌকিদার বলেন, ‘পুরনো ঘরের চাল পরিবর্তন করতে গিয়ে রাত হয়ে গিয়েছিল। পুলিশ এসে কাজ বন্ধ করতে বলায় আমরা কাজ বন্ধ রেখেছি।’
কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপ কুমার দাস বলেন, বিষয়টি জানার পর অভিযুক্তদের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের আজ রবিবার অফিসে দেখা করার জন্য বলা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।