নুসরাত হত্যায় অধ্যক্ষ-আ’লীগ নেতা-কাউন্সিলরসহ ১৬ জন: পিবিআই

ফেনীতে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যার ঘটনায় অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলা, আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন ও কাউন্সিলর মাকসুদসহ ১৬ জনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

মঙ্গলবার রাজধানীর উত্তরায় পিবিআই কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, এই ১৬ জনকে দায়ী করে ৭২২ পৃষ্ঠার চার্জশিট চূড়ান্ত করা হয়েছে। অভিযোগপত্র বুধবার আদালতে দাখিল করা হতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, এ ঘটনায় ১৬ জনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলেছে। সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ না নিলেও হত্যার মূল দায় অধ্যক্ষ সিরাজের।

এছাড়া নুসরাত হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত ১২ আসামি দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এর মধ্যে মাদ্রাসা অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলাও রয়েছেন।

উল্লেখ্য, ৬ এপ্রিল সকালে আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় যান নুসরাত জাহান রাফি। বোরকা পরিহিত কয়েকজন কৌশলে তাকে ছাদে ডেকে নিয়ে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে করা শ্লীলতাহানির মামলা তুলে নিতে চাপ দেয়। অস্বীকৃতি জানালে তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলা, পৌর কাউন্সিলর মাকসুদ আলমসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন রাফির বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান।

গত ১০ এপ্রিল রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান অগ্নিদগ্ধ রাফি।