পরিবর্তন আসছে অপু-সাইমন জুটির ছবিতে

২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে সাইমন সাদিক ও  অপু বিশ্বাসকে জুটি করে নতুন ছবির ঘোষণা দেন পরিচালক রফিক শিকদার।  ‘ওপারে চন্দ্রাবতী’ নামের এই ছবির মাধ্যমেই প্রথমবার জুটি গড়েন অপু বিশ্বাস ও সাইমন সাদিক। ছবির মহরতও হয়। কথা ছিল ওই বছরের ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হবে ছবিটির শুটিং। কিন্তু ২০ এপ্রিল তো দূরের কথা দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও শুটিংই শুরু হয়নি। ফলে জুটি গড়লেও ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে পারেননি অপু ও সাইমন।

ছবির প্রজেক্ট কি বন্ধ? না হলে কবে নাগাদ শুরু হবে ছবির শুটিং?  বিষয়টি নিয়ে ছবির নায়ক সাইমন সাদিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রজেক্ট নিয়ে নিজের শঙ্কা প্রকাশ করেন। দেশ রূপান্তরকে সাইমন সাদিক বলেন, ‘আমি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছি না। ছবিটা আদৌ শুরু হবে কিনা। যদিও পরিচালক জানিয়েছেন দেরিতে হলেও ছবির কাজ হবে। এখন কবে নাগাদ হবে সেটা আমি বলতে পারব না।’

নায়িকা অপু বিশ্বাসও ছবি নিয়ে সঠিক খবর জানাতে পারেননি। তিনিও পরিচালকের দিকেই ভরসা করে বসে আছেন।

এদিকে পরিচালক রফিক শিকদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে দেশ রূপান্তরকে তিনি বলেন, ‘গত বছর ছবিটির কাজ শুরু করার ইচ্ছে থাকলেও ছবিটির কাজ শুরু করতে পারিনি। নানা ঝামেলার কারণে এটা সম্ভব হয়নি। এর মাঝে আমার হাতে নতুন একটা প্রজেক্ট আছে। ‘বসন্ত বিকেল’ নামে একটা ছবি করতে যাচ্ছি। পরিকল্পনা করছি ‘বসন্ত বিকেলের’ কাজ শেষ করেই ‘ওপারে চন্দ্রাবতী’ ছবির কাজ শুরু করব।’

এদিকে ছবির কলাকুশলী ও অভিনয়শিল্পীর তালিকায় পরিবর্তনেরও আভাস দিলেন পরিচালক। তিনি বলেন, ‘শুরুর দিকে যে অভিনয়শিল্পীদের নিয়ে কাজ করার কথা ভেবেছিলাম, সে ভাবনাতেও কিছু পরিবর্তন আসবে। ছবিতে নতুন অভিনয়শিল্পীও আসতে পারে। আবার যাদের নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম তারাও থাকতে পারে। একটা দোলাচলের মধ্যে আছি। কাজ শুরুর আগে আগে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারব।’

উল্লেখ্য, পরী মনি ও সাইমনকে জুটি করে প্রথমবার ‘ওপারে চন্দ্রাবতী’ সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন রফিক শিকদার। কিন্তু পরী মনি অসুস্থতার অজুহাত দিয়ে ছবি থেকে সরে যান। এরপর পরী মনির জায়গায় অপুকে কাস্ট করা হয়। অপু-সাইমনকে নিয়ে ২০১৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় এফডিসির ঝর্ণাস্পটে ছবির মহরত অনুষ্ঠান হয়। ওই মহরতে নির্মাতা রফিক শিকদার, সাইমন, অপু বিশ্বাস ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ (এমপি), ছবির প্রযোজক নজরুল ইসলামসহ শোবিজ অঙ্গনের মানুষেরা।