নিজেদের দ্বন্দ্বে ৫ ভাই হারালেন অস্ত্রের লাইসেন্স

সুনামগঞ্জের ছাতকে আওয়ামী লীগ নেতা দুই সহোদরের সমর্থকদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের জের ধরে ৫ ভাইয়ের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করেছে জেলা প্রশাসন।

জানা যায়, গত ১৪ মার্চ সুরমা নদীতে অবৈধ চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও পৌর মেয়র আবুল কালাম চৌধুরী এবং তার আপন ছোট ভাই জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শামীম আহমদ চৌধুরীর সমর্থকদের সংঘর্ষে এক দরিদ্র ভ্যান চালক ও ছাতক থানার ওসিসহ শতাধিক আহত হয়। সংঘর্ষে দুই পক্ষই প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে। এ ঘটনায় ছাতক থানায় তিনটি মামলা দায়ের করা হয়।

জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আহাদ শনিবার পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বাতিলের নোটিশ জারি করেন। নোটিশে বলা হয়, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির হুমকি ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ আশঙ্কা বিদ্যমান থাকায় পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

যাদের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ছাতক থানায় পুলিশের ওপর হামলা, হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে মামলা রয়েছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

যাদের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে তারা হলেন, শাহীন আহমেদ চৌধুরী (ডিবিবিএল বন্দুক), জামাল আহমেদ চৌধুরী (এসবিবিএল বন্দুক, পর্তুগালের তৈরি), শামীম আহমেদ চৌধুরী (শটগান), কামাল চৌধুরী (শটগান) ও আহমেদ শাখাওয়াত চৌধুরী সেলিম (শটগান, তুর্কির তৈরি) । তারা পাঁচ ভাই ছাতক পৌর শহরের বাগবাড়ি এলাকার আরজ মিয়া চৌধুরীর পুত্র। তারা সবাই স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তবে তাদের আরেক ভাই জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও  ছাতক পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম চৌধুরী আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হয়নি।