দিনাজপুরের চিরিরবন্দর ও বরিশালের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ বৃহস্পতিবার ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। এই দুই জেলার ২৫ গ্রামের মানুষ ৩০ রোজা পূরণ করে ঈদের জামাত আদায় করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৫নং আব্দুলপুর ইউনিয়নের কেন্দ্রী ঈদগাহ মাঠ, শুকদেবপুর, নান্দেড়াই, ৮ নং সাইতারা ইউনিয়নে দক্ষিণ পলাশবাড়ী ও ৪নং ইসবপুর ইউনিয়নের বিন্যাকুড়ি, দক্ষিণ নগর গ্রামের আংশিক লোকজন এই ঈদের জামাত আদায় করেন।
এই পাঁচ গ্রামের প্রায় ৪ হাজার মানুষ ঈদ জামাতে অংশগ্রহণ করেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় তারা ঈদের নামাজ আদায় করেন।
এদিন সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় মেরাইডাঙ্গা ঈদগাহ মাঠে। এ মাঠে ইমামতি করেন ইমাম নাজমুল হক হামদানী ও চিরিরবন্দর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ইমামতি করেন ইমাম আব্দুল মান্নান।
ইমাম আব্দুল মান্নান বলেন, “চাঁদ দেখা নিয়ে বিভ্রান্তির কারণে আমরা তারাবির নামাজ আদায় করি এবং ভোরে সাহরি খেয়ে রোজা রাখি। তাই আমরা ৩০ রোজা পূরণ করে ঈদের নামাজ আদায় করলাম।”
অন্যদিকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ২০টি গ্রামের প্রায় এক হাজার দুইশ’ নারী-পুরুষ বুধবার ঈদের দিনে রোজা রেখেছেন। উপজেলার বাঙ্গিলা হামিউস সুন্নাহ্ কওমি মাদ্রাসার সাত শিক্ষক ও আড়াইশ’ ছাত্রসহ ২৪৫টি পরিবারের সদস্যরা ৩০টি রোজা পূর্ণ করে বৃহস্পতিবার ঈদ উদযাপন করছেন।
ওই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান মাওলানা আবদুল কাদের বলেন, “হাদিসে আছে–‘চাঁদ দেখে রোজা রাখো এবং চাঁদ দেখে ঈদ পালন করো।’ কেন্দ্রীয় চাঁদ দেখা কমিটির প্রথম ঘোষণা কোরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে ঠিক থাকলেও রাত ১১টার ঘোষণা সঠিক হয়নি। তাই কোরআন ও সুন্নাহতে বিশ্বাস করে আমরা রোজা রেখেছি।”
তিনি আরও জানান, তার মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্রসহ আশপাশের ধুরিয়াইল, ধানডোবা, নন্দনপট্টি, চাঁদশী, বড় কসবা, চেংগুটিয়াসহ ২০টি গ্রামের মানুষ বুধবার ভোররাতে সাহরি খেয়ে রোজা রেখেছেন। দিনশেষে তারা যথাসময়ে ইফতার করে ৩০ রোজা পূর্ণ করেছেন।