ক্রিকেট খেলার উৎকর্ষতা বিবেচনায় জিং বেলের আবিষ্কার। কিন্তু এবারের বিশ্বকাপে জিং বেল বিতর্ক খেলোয়াড়দের মনে ভয় জাগিয়ে তুলছে। এখন পর্যন্ত পাঁচবার স্টাম্পে বল আঘাত করা সত্ত্বেও বেল পড়েনি। এ নিয়ে ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি, অজি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ, ইংল্যান্ডের ওপেনার জেসন রয় কথা তুলেছেন। এমনকি বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলা চলাকালীন বেল না পড়ার পর জনি বেয়ারস্টো হাত দিয়ে বেল উঠিয়ে পরীক্ষা করেছেন।
খেলোয়াড়রা খুব দ্রুতই এই সমস্যার সমাধান চাচ্ছেন। চলমান সমস্যা নিয়ে জিং বেল আবিষ্কারক ডেভিড লিগারউড স্পোর্ট প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে কথা বলেন। তারা খুব দ্রুত এই সমস্যার সমধানের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানান। লিগারউডের ভাষ্যমতে, ‘জিং বেলের প্রযুক্তি দিয়ে আমরা হাজারের ওপর ম্যাচ পরিচালনা করেছি। তবে এ সমস্যা খুব একটা দেখা যায়নি। তাই বিশ্বকাপের মঞ্চে একগুচ্ছ ঘটনা আমাদের হতবিহ্বল করেছে।’
লিগারউড অবশ্য এই সমস্যা শিগগিরই সমাধানের ব্যাপারে আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা এই সমস্যা পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছি। মাঠে ঠিকমতো স্টাম্প লাগানো হচ্ছে কি না, জিং বেল বসানো সবকিছু আমরা নজরে রাখছি। একই সঙ্গে জিং বেলের কিছুটা উন্নতি সাধন করার চেষ্টা চলছে। যাতে ভবিষ্যতে বেল পড়া আরও সহজতর হয়।’ বেল বিতর্ক সত্ত্বেও আইসিসি এখনো জিং বেলের ওপর সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। আগে ব্যবহৃত কাঠের স্টাম্পের চেয়ে জিং বেলে মাঠে আম্পায়ারদের সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে বলে জানায় সংস্থাটি, ‘জিং বেলের উইকেট, থার্ড আম্পায়ারদের রান আউট বা স্টাম্পিংয়ের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। ফুটেজ দেখে তারা সহজে বুঝতে পারে কখন বেল স্টাম্প থেকে সরে যায়। যা কি না কাঠের স্টাম্পে বোঝা সহজ ছিল না।’