+বাজেটে পোশাক শিল্পের জন্য ৫ শতাংশ প্রণোদনার দাবির বিপরীতে মাত্র ১ শতাংশ বা অতিরিক্ত ২ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ বরাদ্দ পর্যাপ্ত না হলেও শিল্পের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। পোশাক শিল্পে করপোরেট করহার ১০ শতাংশ করার সুপারিশ থাকলেও তা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। বাজেটে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থায় ব্যবহৃত ৫টি উপকরণে শুল্ক কমিয়ে ৫ শতাংশ করার ঘোষণা শিল্পের জন্য ইতিবাচক। সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ ৭৪ হাজার ৩৬৭ কোটি টাকা রাখা হলেও সেখানে পোশাক শিল্প শ্রমিকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে পোশাক শিল্পে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২ দশমিক ৮২ শতাংশ, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৬ দশমিক ৯৫ শতাংশ বেশি। তবে শিল্পের প্রতিযোগী সক্ষমতা ক্রমেই কমছে। পোশাক শিল্প বর্তমানে একটি সংকটময় মুহূর্ত অতিক্রম করছে।
অব্যাহত দরপতন, উৎপাদন ও রেমিডিয়েশন বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিযোগী দেশগুলোর সাথে তাল মিলিয়ে চলার সংগ্রামে পোশাক শিল্প সক্ষমতা হারাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে পোশাক শিল্পের বিনিয়োগ সুসংহত করতে এবং শিল্পের বিকাশ অব্যাহত রাখতে শিল্পকে সহায়তা দেওয়া জরুরি। বিজিএমইএ মনে করে, বাজেট শুধুমাত্র ঘোষণা করা হয়েছে। এখনো এ বিষয়ে আলোচনার সুযোগ আছে। কর্তৃপক্ষ অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে এসব সমস্যার সমাধান করতে পারে।