২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে রাজশাহীর রাজনৈতিক নেতারা মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। আওয়ামী লীগ নেতা এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন এই বাজেটকে জনকল্যাণ ও উন্নয়নমুখী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা ফজলে হোসেন বাদশা ঘোষিত বাজেটকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেখা স্বপ্ন পূরণে সহায়ক বলে উল্লেখ করলেও বাজেটে কিছু বিষয়ে অস্পষ্টতা রয়েছে বলে দাবি করেছেন। আর বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, এই বাজেট গরিবের জন্য সহায়ক নয়।
বাজেট প্রতিক্রিয়ায় রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, বৃহস্পতিবার যে বাজেট পেশ করা হয়েছে, তা জনকল্যাণ ও উন্নয়নমুখী। এ বাজেট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সহায়ক হবে।
১৪-দলীয় জোটের শরিক দল বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য সংসদে যে জাতীয় বাজেট পেশ করা হয়েছে তা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেখা স্বপ্নপূরণে সহায়ক হবে।
তবে বাজেটে কিছু বিষয়ে অস্পষ্টতা রয়েছে বলেও মনে করেন ফজলে হোসেন বাদশা।
এ ছাড়া বাজেটের কারণে দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, অর্থমন্ত্রী বলছেন বাজেটের কারণে দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পাবে না। কিন্তু কিছু কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়বেই। তাই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য এবং শিশুখাদ্যের দাম যেন না বাড়ে, সে বিষয়টি আরও ভালোভাবে পর্যালোচনা করা দরকার বলেও মনে করেন তিনি।
এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি মিজানুর রহমান মিনু বাজেটকে গরিব মারার বাজেট হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। বাজেট প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, বাজেট দেওয়ার নৈতিক অধিকার এই সরকারের নেই। তারা ধনীদের আরও ধনী করার বাজেট দিয়েছে। তিনি বলেন, ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হবে। এভাবে ব্যাংকগুলোকে দেউলিয়া করে দেওয়া হচ্ছে।
রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মনিরুজ্জামান মনি বলেন, এটি চ্যালেঞ্জিং বাজেট। তবে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের পরিবেশ নিশ্চিত করা হলে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) অর্জন ও বাজেট বাস্তবায়ন করা সম্ভব।